সহিহ বুখারী অঃ->ওজু বাব->পূর্ণরূপে উযূ করা। হাঃ-১৩৯

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফার ময়দান হতে রওনা হলেন এবং উপত্যকায় পৌঁছে নেমে তিনি পেশাব করলেন। অতঃপর উযূ করলেন কিন্তু উত্তমরূপে উযূ করলেন না। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! সালাত আদায় করবেন কি?’ তিনি বললেনঃ ‘সালাতের স্থান তোমার সামনে’। অতঃপর তিনি আবার সওয়ার হলেন। অতঃপর মুযদালিফায় এসে সাওয়ারী থেকে নেমে উযূ করলেন। এবার পূর্ণরূপে উযূ করলেন। তখন সালাতের জন্য ইক্বামাত দেওয়া হল। তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সকলে তাদের অবতরণস্থলে নিজ নিজ উট বসিয়ে দিল। পুনরায় ‘ইশার ইক্বামাত দেয়া হল। অতঃপর তিনি ‘ইশার সালাত আদায় করলেন এবং উভয় সালাতের মধ্যে অন্য কোন সালাত আদায় করলেন না। (১৮১, ১৬৬৭, ১৬৬৯, ১৬৭২; মুসলিম ১৫/৪৫, হাঃ ১২৮০, আহমাদ ২১৮০১, ২১৮০৮, ২১৮৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪১)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফা ও মুযদালিফার মধ্যবর্তী স্থানে অবতরণ করা। হাঃ-১৬৬৭

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘আরাফা হতে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন তখন তিনি একটি গিরিপথের দিকে এগিয়ে গিয়ে প্রাকৃতিক প্রয়োজন মিটিয়ে অযূ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি সালাত আদায় করবেন? তিনি বললেনঃ সালাত তোমার আরো সামনে। (১৩৯) (আঃপ্রঃ ১৫৫৪, ইঃফাঃ ১৫৬০)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফা ও মুযদালিফার মধ্যবর্তী স্থানে অবতরণ করা। হাঃ-১৬৬৯

ঊসামাহ ইব্‌নু যায়েদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আরাফা হতে সওয়ারীতে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেছনে আরোহণ করলাম। মুযদালিফার নিকটবর্তী বামপার্শ্বের গিরিপথে পৌঁছলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উটটি বসালেন। এরপর পেশাব করে আসলেন। আমি তাঁকে অযূর পানি ঢেলে দিলাম। আর তিনি হালকাভাবে অযূ করে নিলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত? তিনি বললেনঃ সালাত আরো সামনে। এ কথা বলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ারীতে আরোহণ করে মুযদালিফা আসলেন এবং সালাত আদায় করলেন। মুযদালিফার ভোরে ফযল [ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ) ] আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে আরোহণ করলেন। (১৩৯) (আঃপ্রঃ ১৫৫৬, ইঃফাঃ ১৫৬২)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->মুযদালিফায় দু‘ ওয়াক্ত সালাত এক সাথে আদায় করা। হাঃ-১৬৭২

উসামাহ ইব্‌নু যায়েদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফা হতে ফেরার সময় গিরিপথে অবতরণ করে পেশাব করলেন এবং অযূ করলেন। তবে পূর্ণাঙ্গ অযূ করলেন না। আমি তাঁকে বললাম, সালাত? তিনি বললেন, সালাত তো তোমার সামনে। অত:পর তিনি মুযদালিফায় এসে অযূ করলেন এবং পূর্ণাঙ্গ অযূ করলেন। অত:পর সালাতের ইক্বামাত হলে তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এরপর প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্থানে উট দাঁড় করিয়ে রাখার পর সালাতের ইক্বামাত দেয়া হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। ‘ইশা ও মাগরিবের মধ্যে তিনি আর কোন সালাত আদায় করেননি। (১৩৯) (আঃপ্রঃ ১৫৫৮, ইঃফাঃ ১৫৬৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হাজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব হাঃ-২৯৭৭

উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আরাফার ময়দান থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর পিছনে তাঁর বাহনে আরোহণ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফার নিকটবর্তী পাহাড়ের বামপাশে পৌঁছে উটকে হাঁটু গেড়ে বসালেন, এরপর (নেমে গিয়ে) পেশাব করলেন এবং ফিরে এলেন। আমি তাঁকে ওযূর পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি সংক্ষেপে (অল্প পানি ব্যবহার করে) ওযূ সেরে নিলেন। এরপর আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সলাতের সময় হয়েছে। তিনি বললেন, আরও সামনে গিয়ে সলাত আদায় করব। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনে আরোহণ করলেন এবং মুযদালিফায় পৌঁছে সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি সকালবেলা ফাযল (রাঃ)–কে তাঁর (বাহনে) পিছন দিকে বসিয়ে রওনা হলেন। (ই.ফা. ২৯৫৩, ই.সে. ২৯৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফাহ্ থেকে মুযদালিফায় প্রত্যাবর্তন এবং মুযদালিফায় এ রাতের মাগরিব ও ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করা মুস্তাহাব হাঃ-২৯৯০

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)–এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব থেকে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাকে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফাহ্‌ থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন, পাহাড়ের সরু পথের নিকট পৌঁছে বাহন থেকে নেমে পেশাব করলেন, এরপর হালকা ওযূ করলেন, পূর্ণ ওযূ নয়। আমি তাঁকে বললাম, সলাতের ওয়াক্ত হয়ে গেছে। তিনি বললেন, সামনে এগিয়ে সলাত আদায় করব। এরপর তিনি সওয়ারীতে আরোহণ করলেন, মুযদালিফায় পৌঁছে পূর্ণাঙ্গ ওযূ করলেন। এরপর সলাতের ইক্বামাত দেয়া হল এবং (এখানে) মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর প্রত্যেকে নিজ নিজ উট বসাল (বিশ্রামের জন্য), এরপর ‘ইশার সলাতের ইক্বামাত দেয়া হল এবং তিনি ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। এ দুই সলাতের মধ্যে তিনি অন্য কোন সলাত আদায় করেননি। (ই.ফা. ২৯৬৫, ই.সে. ২৯৬৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফাহ্ থেকে মুযদালিফায় প্রত্যাবর্তন এবং মুযদালিফায় এ রাতের মাগরিব ও ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করা মুস্তাহাব হাঃ-২৯৯২

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)–এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)–কে বলতে শুনেছি: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফাহ্ থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন। তিনি গিরিপথের নিকটে পৌঁছে বাহন থেকে নেমে পেশাব করলেন। উসামাহ্ এ কথা বলেননি যে, তিনি পানি ঢেলে দিয়েছেন। বরং বলেছেন, তিনি পানি চাইলেন এবং হালকাভাবে ওযূ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি সলাত আদায় করবেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সলাত তো তোমার সম্মুখে রয়েছে। রাবী বলেন, এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলতে থাকলেন এবং মুযদালিফায় পৌঁছলেন। এরপর মাগরিব ও ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ২৯৬৭, ই.সে. ২৯৬৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফাহ্ থেকে মুযদালিফায় প্রত্যাবর্তন এবং মুযদালিফায় এ রাতের মাগরিব ও ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করা মুস্তাহাব হাঃ-২৯৯৩

কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)–কে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনি যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে তাঁর বাহনে আরোহণ করলেন, তখন ‘আরাফাহ্ দিবসের সন্ধ্যায় আপনারা কী করেছিলেন? তিনি বললেন, যে উপত্যকায় লোকেরা মাগরিবের সময় নিজের উটকে (বিশ্রামের জন্য) বসায়, সেখানে এলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উষ্ট্রী বসালেন এবং পেশাব করলেন। উসামাহ্ (রাঃ) পানি ঢেলে দেয়ার কথা বলেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওযূর পানি চেয়ে আনলেন এবং হালকাভাবে ওযূ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি সলাত আদায় করবেন? তিনি বললেন, সলাত তোমার সম্মুখে। এরপর তিনি সওয়ার হয়ে রওনা করলেন। অবশেষে আমরা মুযদালিফায় আসলাম। মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। লোকেরা নিজ নিজ স্থানে উট বসাল কিন্তু মাল-সামান খুলল না, এমনকি ‘ইশার সলাতে দাঁড়ালেন এবং সালাত আদায় করলেন। এরপর লোকেরা মাল-সামান নামাল। আমি (কুরায়ব) বললাম, ভোর হওয়ার পর আপনারা কী করলেন? তিনি (উসামাহ্) বললেন, ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তাঁর বাহনে (তাঁর পিছনে) সওয়ার হলেন এবং আমি কুরায়শদের অগ্রভাগে পদব্রজে রওনা হলাম। (ই.ফা. ২৯৬৮, ই.সে. ২৯৬৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফাহ্ থেকে মুযদালিফায় প্রত্যাবর্তন এবং মুযদালিফায় এ রাতের মাগরিব ও ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করা মুস্তাহাব হাঃ-২৯৯৪

উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে উপত্যকায় মাক্কার সম্ভ্রান্ত লোকেরা অবতরণ করত, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে অবতরণ করে পেশাব করলেন। তিনি পানি ঢেলে দেয়ার কথা উল্লেখ করেননি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওযূর পানি চাইলেন এবং হালকা ওযূ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সলাত। তিনি বললেন, সলাত সামনে এগিয়ে আদায় করা হবে। (ই.ফা. ২৯৬৯, ই.সে. ২৯৬৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->আরাফাহ হতে প্রত্যাবর্তন হাঃ-১৯২৫

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর মুক্তদাস কুরাই (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাহ হতে রওয়ানা করলেন। তিনি পাহাড়ী পথে পৌঁছে পেশাব করার পর হালকা উযু করলেন, পূর্নাঙ্গ উযু করলেন না। উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, আপনি কি সলাত আদায় করবেন? তিনি বললেন, আরো সামনে এগিয়ে সলাত আদায় করবো। তিনি পুনরায় বাহনে চড়লেন এবং মুযদালিফায় এসে বাহন থেকে নেমে উত্তমরূপে উযু করলেন। তারপর সলাতের ইক্বামাত দেয়া হলে তিনি মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর সকল লোক নিজ নিজ স্থানে নিজেদের উট বসালো। অতঃপর ‘ইশার সলাতের ইক্বামাত দেয়া হলে তিনি ‘ইশার সলাত পড়লেন, কিন্তু এ দুই সলাতের মাঝখানে আর কোনো সলাত পড়েননি। [১৯২৫]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->প্রয়োজনবোধে আরাফাত ও মুযদালিফার মাঝে যাত্রাবিরতি। হাঃ-৩০১৯

উসামাহ বিন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে (আরাফাত থেকে) প্রত্যাবর্তন করলাম। যখন তিনি সেই উপত্যকায় পৌঁছালেন যেখানে সম্ভ্রান্ত লোকেরা যাত্রাবিরতি করে, তখন সেখানে যাত্রাবিরতি দিয়ে পেশাব করেন, অতঃপর উযু করেন। আমি বললাম, (মাগরিবের) নামায পরে নিন। তিনি বলেনঃ আরও সামনে এগিয়ে গিয়ে নামায পড়বো। তিনি মুযদালিফায় পৌঁছলে আযান ও ইকামত দেওয়া হল এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর কেউ জন্তুযানের পালান না খুলতেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং এশার সালাত আদায় করলেন। [৩০১৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->দুই সালাত একত্রে আদায় করার পদ্ধতি হাঃ-৬০৯

উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে আরাফাত হতে উষ্ট্রীর পিঠে তাঁর পেছনে বসিয়ে ছিলেন। শি’বে পৌঁছে তিনি অবতরণ করলেন। তারপর পেশাব করলেন। আমি পাত্র হতে তাঁর উযূর জন্য পানি ঢাললাম। তিনি হালকাভাবে উযূ করলেন। আমি তাঁকে বললাম, সালাত। তিনি বললেন : সালাত সম্মুখে। মুযদালিফায় পৌঁছার পর তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর উষ্ট্রীর পিঠের হাওদা নামানো হলো। এরপর ইশার সালাত আদায় করলেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->আরাফা থেকে প্রস্থানের পর (পথিমধ্যে) অবতরণ করা হাঃ-৩০২৫

উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে পাহাড়ের মোড়ে (ঢালু স্থানে) অবতরণ করেন, যে স্থানে (বনূ উমাইয়ার) আমীরগণ অবতরণ করেন। তিনি সেখানে পেশাব করে হালকাভাবে উযু করেন (একবার একবার অঙ্গ ধৌত করেন অথবা পানি স্বল্প ব্যয় করেন।) আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সালাত। তিনি বললেনঃ (এরাতে যে সময় সালাত আদায় করতে হয়, সে) সালাত (ও তার সময়) তোমাদের সামনে। যখন আমরা মুযদালিফায় আসলাম, তখন শেষ ব্যক্তিটিও তার উটের পিঠ হতে নামার পূর্বে তিনি সালাত আদায় করলেন।