সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->কুরবানীর উটের পিঠে আরোহণ করা। আল্লাহর বাণীঃ হাঃ-১৬৮৯

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে কুরবানীর উট হ্যাঁকিয়ে নিতে দেখে বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর। সে বলল, এ-তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর পিঠে সওয়ার হয়ে চল। এবারও লোকটি বলল, এ-তো কুরবানীর উট। এরপরও আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর পিঠে আরোহণ কর, তোমার সর্বনাশ! এ কথাটি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারে বলেছেন। (১৭০৬, ২৭৫৫, ৬১৬০, মুসলিম ১৫/৬৫, হাঃ ১৩২২, আহমাদ ১০৩১৯) (আঃপ্রঃ ১৫৭৩, ইঃফাঃ ১৫৮০)


সহিহ বুখারী অঃ->অসীয়াত বাব->ওয়াক্‌ফকারী তার ওয়াক্‌ফ দ্বারা উপকার গ্রহণ করতে পারে কি? হাঃ-২৭৫৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা দেখতে পেলেন যে, এক ব্যক্তি কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যক্তিটিকে বললেন, এর উপর সওয়ার হও। সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! এটি তো কুরবানীর উট। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়বার বা চতুর্থবার তাকে বললেন, তার উপর সওয়ার হয়ে যাও, দুর্ভোগ তোমার জন্য কিংবা বললেন, তোমার জন্য আফসোস।


সহিহ বুখারী অঃ->অসীয়াত বাব->ওয়াক্‌ফকারী তার ওয়াক্‌ফ দ্বারা উপকার গ্রহণ করতে পারে কি? হাঃ-২৭৫৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন যে, সে একটি কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, এর উপর সওয়ার হও। লোকটি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! এটি তো কুরবানীর উট।’ তিনি দ্বিতীয়বার কিংবা তৃতীয়বার বললেন, এর উপর সওয়ার হও, দুর্ভোগ তোমার জন্য।


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->কাউকে ‘ওয়াইলাকা’ বলা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে। হাঃ-৬১৫৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটা কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে, তাকে বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বললঃ এটি তো কুরবানীর উট। তিনি পুনরায় বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বললঃ এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বলল, এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অকল্যাণ হোক) তুমি এটির উপর সওয়ার হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৫)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->কাউকে ‘ওয়াইলাকা’ বলা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে। হাঃ-৬১৬০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটা কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যেতে দেখে বললেনঃ তুমি এর উপর সওয়ার হও। সে বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! এটি তো কুরবানীর উট। তখন তিনি দ্বিতীয় বা কিংবা তৃতীয়বার বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অনিষ্ট হোক) তুমি এতে সওয়ার হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->প্রয়োজনবোধে কুরবানীর পশুর উপর আরোহণ করা জায়িয হাঃ-৩০৯৯

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটি উট টেনে নিয়ে যেতে দেখলেন। তিনি বললেনঃ এর পিঠে সওয়ার হও। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল, এটা কুরবানীর উট। তিনি দ্বিতীয় অথবা তৃতীয়বারে বললেনঃ তোমার জন্য আফসোস! এর পিঠে আরোহণ কর। (ই.ফা. ৩০৭৪, ই.সে. ৩০৭১)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->'বাদানায়' (কুরবানীর উটে) আরোহণ করা হাঃ-২৭৯৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, 'বাদানা' (কুরবানীর উট) হাঁটিয়ে নিয়ে চলছে। তিনি বললেনঃ এতে আরোহণ কর। সে বললো ইয়া রাসুলাল্লাহ! এ-তো 'বাদানা' (কুরবানীর উট)। তিনি দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বারে তাকে বললেনঃ দুর্ভোগ তোমার জন্য! তুমি তাতে আরোহণ কর।