সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->উট এবং গরুর জন্য কিলাদা পাকানো। হাঃ-১৬৯৮

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনা হতে কুরবানীর পশু পাঠাতেন, আমি তার গলায় কিলাদার মালা পাকিয়ে দিতাম। এরপর মুহরিম যে কাজ বর্জন করে, তিনি তার কিছু বর্জন করতেন না। (১৬৯৬)(আঃপ্রঃ ১৫৮০, ইঃফাঃ ১৫৮৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না হাঃ-৩০৮৫

‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র ও ‘আমরাহ্ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদিনাহ্ থেকে তাঁর কুরবানীর পশু (মাক্কার হারামে) পাঠাতেন। আমি তাঁর কুরবানীর পশুর (গলায় বাঁধার জন্য) মালা তৈরি করে দিতাম। এরপর তিনি এমন কোন জিনিস থেকে বিরত থাকতেন না- যা থেকে ইহরামধারীদের বিরত থাকতে হয়। (ই.ফা. ৩০৬০, ই.সে. ৩০৫৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিলাদা পাকান হাঃ-২৭৭৫

আয়েশা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনা থেকে কুরবানীর জন্তু পাঠাতেন। আমি তাঁর কুরবানীর জন্তুর কিলাদা [১] পাকিয়ে দিতাম। তারপর তিনি মুহরিম যা বর্জন করে তার কিছুই বর্জন করতেন না।