সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো হাঃ-২৯০৬

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে যুহরের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর নিজের (কুরবানীর) উষ্ট্রী নিয়ে আসতে বললেন এবং কুঁজের ডান দিক দিয়ে ফেড়ে দিলেন। ফলে রক্ত প্রবাহিত হ’ল। অতঃপর তিনি এর গলায় দু’টি পাদুকার মালা পরিয়ে দিলেন। এরপর নিজের বাহনে আরোহণ করলেন। অতঃপর তা যখন তাঁকে নিয়ে আল বায়দায় পৌঁছল, তখন তিনি হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। (ই.ফা. ২৮৮২, ই.সে. ২৮৮১)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->উটের শরীর থেকে রক্ত মুছে ফেলা হাঃ-২৭৭৪

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুলজুলায়ফায় পৌঁছলেন, তখন তিনি আদেশ করলেন তাঁর উটকে ইশ্আর করতে। তারপর তাঁর উটের কুজের ডানদিকে ইশ্আর করা হলো, তার রক্ত মুছে ফেললেন এবং তার গলায় দু’খানা জুতার কিলাদা বা মালা লাগালেন। আর যখন সেটি তাঁকে নিয়ে বায়দায় পৌঁছলেন, তখন তিনি ইহ্রাম বাঁধলেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->'হাদী' (কুরবানীর) পশুকে কিলাদা পরান হাঃ-২৭৮২

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুলহুলায়ফায় গমন করেন, তখন হাদীর (কুরবানীর পশুর) কুঁজের ডান দিকে ইশ'আর করেন। তারপর তা থেকে রক্ত মুছে ফেলেন, আর তাকে দু'খানা জুতার (চপ্পলের) কিলাদা পরিয়ে দেন। এরপর তাঁর উটনীর উপর আরোহণ করেন। যখন উটনী তাঁকে নিয়ে বায়দায় স্থির হয়ে দাঁড়াল। তখন তিনি তালবিয়া পাঠ করলেন এবং জুহরের সময় ইহরামের দু'আ পড়ে ইহরাম বাঁধেন। আর হজ্জের তালবিয়া পাঠ করলেন।