আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুসলিমের উপরে তার ঘোড়া ও গোলামের কোন যাকাত নেই।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুসলিমের উপর তার গোলাম ও ঘোড়ার কোন যাকাত নেই।
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন যাকাত নেই। (ই.ফা. ২১৪২,ই.সে. ২১৪৫)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন সদাক্বাহ্ (যাকাত) ধার্য হয় না। (ই.ফা. ২১৪৩, ই.সে.২১৪৬)
বারা’ বিন আযিব (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহ্র বাণী (অনুবাদ): “এবং আমি যা ভূমি থেকে উৎপাদন করে দেই তার মধ্যে যা উৎকৃষ্ট তা ব্যয় করো এবং তা থেকে নিকৃষ্ট অংশ ব্যয় করার সংকল্প করো না” (২:২৬৭) সম্পর্কে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ আয়াত আনসারদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। কেননা তাদের বাগানে উৎপন্ন খেজুর আধাপাকা হলে তারা খেজুরের কিছু ছড়া রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাসজিদের দু’ খুঁটির মাঝখানে বাঁধা রশিতে ঝুলিয়ে রাখতেন। গরীব মুহাজিরগণ উক্ত ছড়া থেকে খেজুর খেতেন। দানকারীদের ধারণা ছিলো যে, ভালো খেজুরের সাথে নিম্ন মানের খেজুরও থাকলে দোষের কিছু নেই। যারা এরূপ করতো তাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযীল হয় (অনুবাদ): “তোমরা তা থেকে নিকৃষ্ট অংশ ব্যয় করার সংকল্প করো না। কেননা তোমরাও সন্তুষ্টচিত্তে এমন মাল গ্রহণ করবে না।” অর্থাৎ কেউ যদি তোমাদেরকে এমন নিকৃষ্ট জিনিস উপহারস্বরূপ দেয় তবে হয়তো তোমরা দাতার প্রতি চক্ষুলজ্জায় অসন্তুষ্ট চিত্তে তা গ্রহণ করবে আর বলবে, তোমাদের এরূপ উপহারের প্রয়োজন ছিল না। তোমরা জেনে রাখো! আল্লাহ্ তোমাদের দান-খয়রাত থেকে মুখাপেক্ষীহীন। (আল্লাহ্ তায়ালা প্রয়োজনের উর্ধ্বে, তিনি প্রশংসিত)। [১৮২২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ, তা’লীক ইবনু মাজাহ।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়া ও ক্রীতদাসের জন্য মুসলমানের কোন সাদকা (যাকাত) আদায় করতে হবে না। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮১২), যঈফা (৪০১৪), বুখারী, মুসলিম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানের উপর তার (খিদমতের) গোলাম এবং (আরোহণের) ঘোড়ার জন্য কোন যাকাত নেই (ওয়াজিব হবে না)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপরে তার (খিদমতের) গোলাম এবং (আরোহণের) ঘোড়ার জন্য কোন যাকাত নেই (ওয়াজিব হবে না)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মারফূ’ রূপে বর্ণনা করে বলেন যে, মুসলমানের উপরে তার (খিদমতের) গোলামে এবং (আরোহণের) ঘোড়ায় কোন যাকাত নেই (ওয়াজিব হয় না)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, মুসলমানের (আরোহণের) ঘোড়ায় এবং (খিদমতের) গোলামে এর কোন যাকাত নেই (ওয়াজিব হবে না)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানুষের উপরে তার (খিদমতের) গোলামে এবং (আরোহণের) ঘোড়ায় কোন যাকাত নেই (ওয়াজিব হবে না)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানের উপরে তার খিদমতের গোলামে এবং আরোহণের ঘোড়ায় কোন যাকাত নেই (ওয়াজিব হবে না)।