সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->কুল্‌হু আল্লাহু আহাদ (সুরাহ ইখলাস)- এর ফযীলত। হাঃ-৫০১৩

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি আরেক ব্যক্তিকে ‘কুল হুআল্লাহু আহাদ’ পড়তে শুনলেন। সে বার বার তা মুখে উচ্চারণ করছিল। পরদিন সকালে তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে এ ব্যাপারে বললেন। যেন ঐ ব্যক্তি তাকে কম মনে করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার জীবন। এ সূরা হচ্ছে সমগ্র কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪৫)


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->নবী (সাঃ)-এর শপথ কেমন ছিল? হাঃ-৬৬৪৩

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে (ক্বুল হু ওয়া আল্লাহু আহাদ) বারংবার পাঠ করতে শুনলেন। সকাল হলে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলেন এবং ব্যাপারটি তাঁর কাছে উল্লেখ করলেন। আর ঐ ব্যক্তি যেন উক্ত সূরার পাঠকে কম গুরুত্ব দিচ্ছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ কসম ঐ সত্তার! নিশ্চয়ই এ সূরা কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান। [৬৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৮৮)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র তাওহীদের দিকে উম্মতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আহ্বান। হাঃ-৭৩৭৪

আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক অন্য এক লোককে বারবার ‘ইখলাস’ সূরা তিলাওয়াত করতে শুনল। সকাল বেলা লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট এ বিষয়টি উল্লেখ করল; লোকটি যেন সূরা ইখ্‌লাসের গুরুত্বকে কম করছিল। এই প্রেক্ষিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি! এ সূরাটি অবশ্যই কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ। ইস্মাঈল ইব্‌নু জা’ফর ক্বাতাদাহ ইব্‌নু আল-নুমান (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (কিছুটা) বৃদ্ধি সহ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭০৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ পড়ার ফযীলত হাঃ-৯৯৫

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ পড়তে শুনল, সে তা বারবার পড়ছিল। সকাল বেলা সে ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! তা কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য (সওয়াবের দিক থেকে)।