‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বিসানায় পেলাম না। আমি তাঁকে খোঁজ করতে লাগলাম। হঠাৎ আমার হাত তাঁর উভয় পায়ের তালুতে গিয়ে ঠেকল। তিনি সাজদায় ছিলেন এবং তাঁর পা দু’টো দাঁড় করানো ছিল। এ অবস্তায় তিনি বলেছেনঃ “আল্লাহুম্মা আ’উযু বিরিযা-কা মিন্ সাখাতিকা ওয়াবি মু’আ-ফা-তিকা মিন্ ‘উকুবাতিকা ওয়া আ’উযুবিকা মিনকা লা-উহ্সি সানা-আন্ ‘আলাইকা আন্তা কামা- আস্নাইতা ‘আল- নাফসিকা”।অর্থাৎ “হে আল্লাহ্! আমি তোমার অসন্তুষ্টি থেকে সন্তুষ্টির আশ্রয় চাই। তোমার শাস্তি থেকে তোমার শান্তি ও স্বস্তির আশ্রয় চাই। আমি তোমার নিকট তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি। তোমার প্রশংসার হিসাব করা আমার সম্ভব না। তুমি নিজে তোমার যেরূপ প্রশংসা বর্ণনা করেছ, তুমি ঠিক তদ্রূপ” (ই.ফা. ৯৭২, ই সে. ৯৮৩)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিছানায় পাচ্ছিলাম না। তখন আমি আমার হাত দ্বারা তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। তখন আমার হাত তার পদযুগলের উপর পতিত হলো। তখন তাঁর পা খাড়া ছিল আর তিনি ছিলেন সিজদারত। তিনি বলছিলেনঃ “(হে আল্লাহ!) আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমার ক্রোধ হতে তোমার সন্তুষ্টির, তোমার শাস্তি থেকে তোমার ক্ষমার আর আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি তোমা হতে। তোমার প্রশংসা করে আমি শেষ করতে পারব না, তুমি নিজে ঐরূপ, যেরূপ তুমি নিজের প্রশংসা করেছ। ”
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একরাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে না পেয়ে তাঁর নিকট পৌঁছে দেখি তিনি সিজদায় আছেন আর তাঁর পায়ের পাতাদ্বয় খাড়াবস্থায়। আর তিনি বলছেন- (আরবী)।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে না পেয়ে পরে তাঁকে সিজদারত অবস্থায় পেলাম; তাঁর পদদ্বয়ের আঙ্গুলসমূহ ছিল কিবলার দিকে। তাঁকে বলতে শুনলাম, (এইখানে একটি দোয়া আছে)
আলী ইব্ন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়াসসাল্লাম) তাঁর বিত্রের সালাতের শেষে বলতেনঃ (......আরবী.....)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর বিছানায় পেলাম না। আমি তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। আমার হাত তাঁর দু’ পায়ের পাতার নিচে গিয়ে লাগলো। তিনি তখন সিজদারত ছিলেন এবং তাঁর পায়ের পাতা দু’টি দাঁড়ানো অবস্থায় ছিল। তিনি বলছিলেন : “হে আল্লাহ্! আমি তোমার সন্তুষ্টির ওয়াসীলায় তোমার অসন্তোষ থেকে আশ্রয় চাই, তোমার ক্ষমার ওয়াসীলায় তোমার আযাব থেকে আশ্রয় চাই, তোমার নিকট তোমা থেকে আশ্রয় চাই, তোমার পূর্ণ প্রশংসা করা আমার সাধ্যাতীত, তুমি যেরূপ তোমার প্রশংসা বর্ণনা করেছো সেরূপই”। [৩১৭৩]