সহিহ বুখারী অঃ->তাহাজ্জুদ বাব->তাহাজ্জুদ ও নফল ইবাদতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উৎসাহ দান করা, অবশ্য তিনি তা আবশ্যক করেননি। হাঃ-১১২৮

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ‘আমল করা পছন্দ করতেন, সে ‘আমল কোন কোন সময় এ আশঙ্কায় ছেড়েও দিতেন যে, সে ‘আমল লোকেরা করতে থাকবে, ফলে তাদের উপর তা ফরজ হয়ে যাবে। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহা সালাত আদায় করেননি। [১] আমি সে সালাত আদায় করি।


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->যুহার সলাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাক‘আত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাক‘আত, মধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান হাঃ-১৫৪৭

’আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি কখনো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে 'যুহা' বা চাশ্‌তের সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে আমি নিজে চাশ্‌তের সলাত আদায় করে থাকি। অনেক কাজ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পছন্দ করা সত্বেও এ আশংকায় তা করতেন না যে, লোকজন সে অনুযায়ী কাজ করলে তা ফরয করে দেয়া হতে পারে। (ই.ফা. ১৫৩২, ই.সে. ১৫৩৯)