সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তে সালাত আদায়ের উদ্যোগ নিবে না। হাঃ-৫৮৬

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, ফজরের পর সূর্য উদিত হয়ে (একটু) উপরে না উঠা পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সালাত নেই।


সহিহ বুখারী অঃ->মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা বাব->বায়তুল মাকদিসের মসজিদ। হাঃ-১১৯৭

যিয়াদের আযাদকৃত দাস কাযা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে চারটি বিষয় বর্ণনা করতে শুনেছি, যা আমাকে আনন্দিত ও মুগ্ধ করেছে। তিনি বলেছেনঃ নারীগণ স্বামী কিংবা মাহ্‌রাম [১] ব্যতীত দু’দিনের দূরত্বের পথে সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্‌র ও ‘ঈদুল আযহার দিনগুলোতে সিয়াম নেই। দু’ (ফরজ) সালাতের পর কোন (নফল ও সুন্নাত) সালাত নেই। ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এবং ১. মসজিদুল হারাম ২. মসজিদুল আক্‌সা এবং ৩. আমার মসজিদ ছাড়া অন্য কোন মসজিদে (যিয়ারতের উদ্দেশে) হাওদা বাঁধা যাবে না। (সফর করা যাবে না)।


সহিহ বুখারী অঃ->ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকার ও অনুরূপ কিছুর বদলা বাব->মহিলাদের হজ্জ । হাঃ-১৮৬৪

যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা‘আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)- কে যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি (অথবা) তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়গুলো আমাকে আশ্চর্যান্বিত করে দিয়েছে এবং চমৎকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই), স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্‌র এবং ‘ঈদুল আযহা- এ দুই দিন কেউ সওম পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় পর্যন্ত কেউ কোন সলাত আদায় করবে না। আর মাসজিদে হারম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মাসজিদে নাববী) এবং মাসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মাসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না।


সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->কুরবানীর দিবসে সওম হাঃ-১৯৯৫

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বারোটি যুদ্ধে শরীক ছিলেন, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে চারটি কথা শুনেছি, যা আমার খুব ভালো লেগেছে। তিনি বলেছেন, স্বামী অথবা মাহরাম (যার সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ) পুরুষ ব্যতীত কোন নারী যেন দুই দিনের দূরত্বের সফর না করে। ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর দিনে সওম নেই। ফাজরের সলাতের পরে সূর্যোদয় এবং ‘আসরের সলাতের পরে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নেই। মাসজিদে হারাম, মাসজিদে আকসা ও আমার এই মাসজিদ ছাড়া অন্য কোন মাসজিদের উদ্দেশ্যে কেউ যেন সফর না করে।


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->যে সকল ওয়াক্তে সলাত আদায় করা নিষেধ হাঃ-১৮০৮

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ আসরের সলাতের পর থেকে সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সলাত নেই এবং ফজরের সলাতের পর থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত। (ই.ফা, ১৭৯৩.ই.সে. ১৮০০)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->যে ব্যক্তি আসরের দুই রাক’আত পেল হাঃ-৫১৮

মু'আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (একদা) মু'আয ইব্ন আফরা (রাঃ) -এর সঙ্গে তওয়াফ করলেন; (তওয়াফের পর) তিনি সালাত আদায় করলেন না। আমি বললাম, আপনি সালাত আদায় করলেন না? উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নেই এবং ফজরের সালাতের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন সালাত নেই।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->আসরের পর সালাত আদায় করা নিষিদ্ধ হাঃ-৫৬৭

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, ফজরের পর সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত কোন সালাত নেই। [১]