আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমি তীর নিক্ষেপ করেছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে ভাবলাম, আজ সূর্যগ্রহণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নতুন কিছু প্রকাশ পায় কিনা তা অবশ্যই দেখব। আমি তাঁর কাছে পৌঁছে গেলাম। এ সময়ে তিনি দু’ হাত উঠিয়ে দু‘আ করছিলেন এবং তাকবীর (আল্ল-হু আকবার), তাহমীদ (আল হাম্দুলিল্লা-হ) ও তাহলীলে (লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ) মশগুল ছিলেন। অবশেষে সূর্য পরিষ্কার হয়ে গেল। এরপর তিনি দু’টি সূরাহ্ পাঠ করলেন এবং দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৯৮৭, ই.সে. ১৯৯৪)
আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীর অন্তর্ভূক্ত ছিলেন। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময়ে আমি একবার মাদীনায় তীর নিক্ষেপ করেছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ আরম্ভ হলো। তখন আমি এগুলো ফেলে রেখে মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! সূর্যগ্রহণকালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা কিছু প্রকাশ পায়, তা অবশ্যই দেখব। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে দেখি তিনি সলাতে দন্ডায়মান এবং দু’ হাত উঠিয়ে তাসবীহ (সুবহা-নাল্ল-হ), তাহমীদ (আল্ হাম্দুলিল্ল-হ), তাহলীল (লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ), তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) ও দু‘আ করছেন, অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হলো এবং তিনি দু’টি সূরাহ্ পাঠ করলেন এবং দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৯৮৮, ই.সে. ১৯৯৫)
আব্দুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মদীনায় আমার তীর মারছিলাম, ইতিমধ্যে সূর্যের গ্রহণ লেগে গেল। তখন আমি আমার তীরসমূহ একত্রিত করলাম এবং বললাম, আজ আমি অবশ্যই লক্ষ্য করব যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য গ্রহণ সম্পর্কে কি নতুন বক্তব্য রাখেন। অতএব, আমি তাঁর পিঠের কাছাকাছি আসলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। তিনি তাসবীহ, তাকবীর এবং দোয়া করতে লাগলেন, ইত্যবসরে সূর্য গ্রহণ কেটে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি দাঁড়ালেন এবং দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন, চারটি সিজদা করলেন।