আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সহাবীকে একটি মুজাহিদ দলের প্রধান করে অভিযানে পাঠালেন। সলাতে তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে ইমামত করতেন, তখন ইখ্লাস সূরাটি দিয়ে সালাত শেষ করতেন। তারা যখন অভিযান থেকে ফিরে আসল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খেদমতে ব্যাপারটি আলোচনা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকেই জিজ্ঞেস ক’রো কেন সে এ কাজটি করেছে? এরপর তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তর দিলেন, এ সূরাটির আল্লাহ্ তা’আলার গুণাবলী রয়েছে। এ জন্য সূরাটি পড়তে আমি ভালোবাসি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ তাঁকে ভালবাসেন। [মুসলিম ৬/৪৫, হাঃ ৮১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭১)
আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে জনৈক ব্যক্তিকে সেনাদলের নেতা করে পাঠালেন। সে সলাতে তার অনুসারীদের ইমামাত করতে গিয়ে কুরআন পড়ত এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রেই “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরাহ্ ইখলাস) পড়ে শেষ করত। সেনাদল ফিরে আসলে তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি বললেন। তিনি বললেনঃ জিজ্ঞেস কর যে, সে কেন এরূপ করে থাকে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলল, যেহেতু এ সূরাতে মহান দয়ালু আল্লাহর গুণাবলী উল্লেখ আছে, তাই ঐ সূরাটি পাঠ করতে ভালবাসি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তাকে ভালবাসেন। (ই.ফা. ১৭৬০, ই.সে. ১৭৬৭)