জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাতে “ওয়াল্ লাইলি ইযা- ইয়াগ্শা-” (সূরাহ্ আল লায়ল ৯২ : ১) পাঠ করতেন এবং ‘আস্রের সলাতেও অনুরূপ কোন সূরাহ্ পাঠ করতেন। ফাজরের সলাতে তিনি এর চেয়ে দীর্ঘ সূরাহ্ পাঠ করতেন। (ই. ফা. ৯১১, ই. সে. ৯২৩)
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাতে “সাব্বিহিস্মা রব্বিকাল আ’’লা” অর্থাৎ- “তুমি তোমার সর্বোচ্চ প্রতিপালকের নামের ঘোষনা কর”- (সূরাহ্ আ’লা ৮৭:১) পাঠ করতেন এবং ভোরের (ফাজরের ) সলাতে এর চেয়ে লম্বা সূরাহ্ পাঠ করতেন। (ই.ফা. ৯১২, ই.সে. ৯২৪)
জাবির ইব্ন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জোহর এবং আসরের সালাতে ‘ওয়াস্সামায়ি যাতিল বুরুজ’ এবং ‘ওয়াস্সামায়ি ওয়াত্ তারিক’ এবং এতদুউভয়ের মত সূরা পাঠ করতেন।
জাবির ইব্ন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জোহর এবং আসরের সালাতে ‘ওয়াস্সামায়ি যাতিল বুরুজ’ এবং ‘ওয়াস্সামায়ি ওয়াত্ তারিক’ এবং এতদুউভয়ের মত সূরা পাঠ করতেন।
জাবির ইব্ন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জোহর এবং আসরের সালাতে ‘ওয়াস্সামায়ি যাতিল বুরুজ’ এবং ‘ওয়াস্সামায়ি ওয়াত্ তারিক’ এবং এতদুউভয়ের মত সূরা পাঠ করতেন।
জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ত, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সালাত আদায় করতেন এবং তাতে সূরাহ “ওয়াল-লাইলি ইযা ইয়াগশা”-এর অনুরূপ সূরাহ পড়তেন। তিনি ‘আসর ও অন্যান্য সালাতেও অনুরূপ সূরাহ পড়তেন। তবে তিনি ফাজর সালাতে দীর্ঘ সূরাহ পড়তেন। সহীহঃ মুসলিম।