‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি একজনকে “আস-সালাতু জামিয়াতুন” বলে ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠান। অতঃপর তিনি অগ্রসর হন এবং চার রুকূ’ ও চার সিজদাসহ দু’রাক’আত সালাত আদায় করেন। ওয়ালীদ (রহঃ) বলেন, আমাকে আবদুর রহমান ইব্নু নামির আরো বলেন যে, তিনি ইব্নু শিহাব (রহঃ) হতে অনুরূপ শুনেছেন, যুহরী (রহঃ) বলেন যে, আমি ‘উরওয়াহ (রহঃ)-কে বললাম, তোমার ভাই ‘আবদুল্লাহ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) এরূপ করেননি। তিনি যখন মদীনায় গ্রহণ-এর সালাত আদায় করেন, তখন ফজরের সালাতের ন্যায় দু’রাক’আত সালাত আদায় করেন। ‘উরওয়াহ (রহঃ) বললেন, হাঁ, তিনি সুন্নাত অনুসরণে ভুল করেছেন। সুলাইমান ইব্নু কাসীর (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে সশব্দে কিরাআতের ব্যাপারে ইব্নু কাসীর (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু‘আর দিন ফাজ্রের সলাতে “আলিফ লা~ম মী~ম তান্যীল” ও “হাল আতা-“ সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। (ই.ফা. ১৯০৪, ই.সে. ১৯১১)
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু’আর দিন ফজরের সালাতে (আরবি) এবং (আরবি) সূরা পাঠ করতেন।
আব্দুল্লাহ ইবনুস সায়িব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সলাতে “সূরা মু’মিনূন" তিলাওয়াত করলেন। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে ঈসা (আলায়হিস সালাম) -এর প্রসঙ্গ পর্যন্ত উপনীত হলে তাঁর হাঁচি (বা কফ) আসে। তিনি তখন রুকূতে চলে গেলেন। [৮১৮]