উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হারিস ইব্নু হিশাম (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনার নিকট ওয়াহী কিরূপে আসে?’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ [কোন কোন সময় তা ঘন্টা বাজার মত আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচেয়ে বেদনাদায়ক হয় এবং তা শেষ হতেই মালাক (ফেরেশতা) যা বলেন তা আমি মুখস্ত করে নেই, আবার কখনো মালাক মানুষের রূপ ধারণ করে আমার সাথে কথা বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্ত করে নেই।] ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তীব্র শীতের সময় ওয়াহী নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওয়াহী শেষ হলেই তাঁর ললাট হতে ঘাম ঝরে পড়ত। (৩২১৫; মুসলিম ৪৩/২৩, হাঃ ২৩৩৩, আহমাদ ২৫৩০৭, ২৬২৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হারিস ইবনু হিশাম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার নিকট ওয়াহী নাযিল হয় কীভাবে? তিনি বললেনঃ কখনো তা আসে ঘণ্টার ধ্বনির মতো শব্দ করে আর তা আমার জন্য অনেক কষ্টকর হয়। এরপর ওয়াহী থেমে যায়, আর আমি মুখস্থ করে নেই। আবার কখনো (ওয়াহী নিয়ে) পুরুষের ছদ্মবেশে একজন ফেরেশ্তা আসেন এবং তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নেই। (ই.ফা. ৫৮৫১, ই.সে.৫৮৮৬)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হারিস ইব্ন হিশাম (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার নিকট ওহী কী রূপে আসে? তিনি বললেন, কোন কোন সময় আমার নিকট ওহী আসে ঘন্টা ধ্বনির ন্যায়, আর এটিই আমার উপর কষ্টদায়ক হয়। আর আমার থেকে তা সমাপ্ত হলে দেখা যায় আমি তা মুখস্ত করে ফেলেছি, যা বলা হয়েছে। আর কোন কোন সময় ফেরেশতা মানুষের বেশ ধরে আমার কাছে এসে কথাবার্তা বলেন। তখন তিনি যা বলেন, তা আমি মুখস্থ করে নেই। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি প্রচন্ড শীতের দিনে তাঁর উপর ওহী অবতীর্ণ হতে এবং যখন তা শেষ হতো তখন তাঁর ললাট থেকে ঘাম দরদর করে পড়তে দেখেছি।