সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->মুয়াজ্জিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয় হাঃ-৫২৫

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আযান শুনে বলেঃ “এবং আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই। তাঁর কোন শারীক নেই, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল, আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে রসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট।” – তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। সহীহঃ মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->মুয়াযযিনের আযান শুনে যে দু’আ পাঠ করতে হবে হাঃ-২১০

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াককাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে বলবে, “ওয়া আনা আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু রাযীতু বিল্লাহি রাব্বান ওয়া বিল-ইসলামি দীনান ওয়া বি-মুহাম্মাদিন রাসূলান” আল্লাহ্ তা’আলা তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৭২১), মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->আযান ও তার সুন্নাত বাব->মুয়াযযিন যখন আযান দেয় তখন যা বলতে হবে । হাঃ-৭২১

সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি মুয়ায্‌যিনের আযান শোনার পর নিম্নোক্ত দুআ’ পড়লে তার গুনাহ ক্ষমা করা হবেঃ “আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল। আমি আল্লাহ্‌কে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নবী হিসাবে পেয়ে সন্তুষ্ট”। [৭১৯]