কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী’র বর্ণনায় আছে আনসার (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী’র বর্ণনায় আছে আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নাবীকে একটি করে দু’আ প্রদান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৩৯০; ই.সে. ৪০৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা আযান শুনতে পেলে মুয়াজ্জিন যেরূপ বলে তোমরাও তদ্রূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা কেউ আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করলে আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমত বর্ষণ করেন। অতঃপর তোমরা আল্লাহর নিকট আমার জন্য ওয়াসিলাহ প্রার্থনা করবে। ওয়াসিলাহ হচ্ছে জান্নাতের একটি বিশেষ মর্যাদার আসন, যার অধিকারী হবেন আল্লাহর একজন বিশিষ্ট বান্দা। আমি আশা করছি, আমিই হব সেই বান্দা। কেউ আল্লাহর নিকট আমার জন্য ওয়াসিলাহ্ প্রার্থনা করলে সে আমার শাফা‘আত পাবে। সহীহঃ মুসলিম।
আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা মু'আযযিনের আযান যখন শুনবে সে সময় তোমরা তার মতো বলবে, তারপর আমার উপর দরূদ পড়বে। কেননা যে লোক আমার প্রতি একবার দরূদ পড়ে আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি এর বিনিময়ে দশবার দয়া বর্ষণ করেন। তারপর আমার জন্য তোমরা আল্লাহ তা’আলার নিকটে ওয়াসীলাহ্ প্রার্থণা কর। কেননা ওয়াসীলাহ্ হল জান্নাতের এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ জায়গা যা আল্লাহ তা’আলার বান্দাদের মাঝে শুধুমাত্র একজনই অর্জন করবে। আশা করি আমিই হব সেই বান্দা। আমার জন্য যে লোক উসীলা প্রার্থণা করল তার জন্য (আমার) সুপারিশ অবধারিত হল। সহীহঃ ইরওয়া (২৪২), তা'লীক্ব 'আলা বিদাইয়াতিস্ সূল (২০/৫২), মুসলিম।