নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলতেন যে, মুসলমানগণ যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন তাঁরা সালাতের সময় অনুমান করে সমবেত হতেন। এর জন্য কোন ঘোষণা দেয়া হতো না। একদা তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। কয়েকজন সাহাবী বললেন, নাসারাদের ন্যায় নাকূস বাজানোর ব্যবস্থা করা হোক। আর কয়েকজন বললেন, ইয়াহূদীদের শিঙ্গার ন্যায় শিঙ্গা ফোঁকানোর ব্যবস্থা করা হোক। ‘উমর (রাঃ) বললেন, সালাতের ঘোষণা দেয়ার জন্য তোমরা কি একজন লোক পাঠাতে পার না? তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে বিলাল, উঠ এবং সালাতের জন্য ঘোষণা দাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৭)
খালিদ আল হায্যা হতে উল্লেখিত সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
যখন লোকসংখ্যা বেড়ে গেল, সহাবাগণ সলাতের সময় জানানোর একটি উপায় খুঁজে বের করার জন্যে পরস্পর আলোচনা করলেন...... অতঃপর সাকাফী-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। এ বর্ণনায় (আরবি) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে। (অর্থাৎ “আগুন জ্বালানো হোক” উভয় শব্দের অর্থ একই)। (ই. ফা. ৭২৪, ই. সে. ৭৩৯)
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে আমি ও আমার পিতা আনসার গোত্রীয় আমার শ্বশুরবাড়ি গেলাম। তখন সলাতের ওয়াক্ত হলে তিনি তার পরিবারের একজনকে ডেকে বললেন, এই যে মেয়ে। উযূর জন্যে পানি আনো, যাতে আমি সলাত পড়ে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তার একথায় আমরা নারাজ হলে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ হে বিলাল। আযান দাও, আমরা সলাতের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করবো।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুসলমানরা যখন হিজরাত করে মাদীনায় আসলেন, তখন তারা আন্দাজ করে নামাজের জন্য একটা সময় ঠিক করে নিতেন এবং সে অনুসারে সমবেত হতেন। নামাযের জন্য কেউ আহ্বান করত না। একদিন তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেন। কেউ কেউ প্রস্তাব করলেন, খৃষ্টানদের মত একটি ঘন্টা বাজানো হোক। আবার কতেকে বললেন, ইয়াহূদীদের মত শিংগা বাজানো হোক। রাবী বলেন, ‘উমার (রাঃ) বললেন, নামাযের জন্য ডাকতে তোমরা কি একজন লোক পাঠাতে পার না? রাবী বলেন, অতএব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল! ওঠো এবং নামাযের জন্য আহ্বান কর। সহীহ্-বুখারী ও মুসলিম।