জুবায়র ইবনু নুফায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন) আমি ‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক জানাযায় যে দু‘আ পড়লেন, আমি তাঁর সে দু‘আ মনে রেখেছি। দু‘আয় তিনি এ কথাগুলো বলেছিলেন, “আল্ল-হুম্মাগ্ফির্ লাহূ ওয়ার্হাম্হু ওয়া ‘আ-ফিহী ওয়া’ফু ‘আন্হু ওয়া আক্রিম নুযুলাহূ ওয়া ওয়াস্সি’ মুদ্খালাহূ ওয়াগ্সিল্হু বিলমা-য়ি ওয়াস্সাল্জি ওয়াল বারাদি ওয়ানাক্কিহী মিনাল খ্বাতা-ইয়া- কামা- নাক্কায়সাস্ সাওবাল আব্ইয়াযা মিনাদ্দানাসি ওয়া আব্দিল্হু দা-রান্ খায়রাম্ মিন দা-রিহী ওয়া আহলান্ খায়রাম্ মিন আহ্লিহী ওয়া য়াওজান্ খায়রাম্ মিন যাওজিহী ওয়া আদখিল্হুল জান্নাতা ওয়া আ‘ইয্হু মিন ‘আযা-বিল ক্বব্রি আও মিন ‘আযা-বিন্না-র’-(অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও ও তার প্রতি দয়া কর। তাকে নিরাপদে রাখ ও তার ত্রুটি মার্জনা কর। তাকে উত্তম সামগ্রী দান কর ও তার প্রবেশ পথকে প্রশস্ত করে দাও। তাকে পানি, বরফ ও বৃষ্টি দ্বারা মুছে দাও এবং পাপ থেকে এরূপভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দাও যেরূপ সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়। তাকে তার ঘরকে উত্তম ঘরে পরিণত কর, তার পরিবার থেকে উত্তম পরিবার দান কর, তার স্ত্রীর তুলনায় উত্তম স্ত্রী দান কর। তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং ক্ববরের ‘আযাব ও জাহান্নামের ‘আযাব থেকে বাঁচাও।)। বর্ণনাকারী ‘আওফ ইবনু মালিক বলেন, তাঁর মূল্যবান দু‘আ শুনে আমার মনে আকাঙ্ক্ষা জাগল, আমি যদি সে মৃত ব্যক্তি হতাম। (ই.ফা. ২১০০, ই.সে. ২১০৪)
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট রশিবিহীন একটি ঘোড়া হাজির করা হ’ল। তিনি ইবনু দাহদাহ-এর জানাযাহ্ শেষ করে এর পিঠে আরোহণ করলেন। আর আমরা তাঁর চার পাশে হেঁটে চলছিলাম। (ই.ফা. ২১০৭, ই.সে. ২১১০)
আওফ বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে এক আনসারির জানাযার সলাতে শরীক ছিলাম। আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ! তুমি তাকে দয়া করো, তাকে ক্ষমা করো এবং তার উপর করুণা বর্ষণ করো, তাকে ক্ষমা করো, তার পাপরাশি দূর করে দাও। তাকে ঠান্ডা পানি ও বরফ দ্বারা ধৌত করো এবং সাদা কাপড় থেকে যেভাবে ময়লা পরিষ্কার করা হয়, তদ্রূপ তাকে গুনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন করো। তার ঘরের পরিবর্তে তাকে উত্তম আবাস দান করো, তার পরিবার থেকেও উত্তম পরিবার তাকে দান করো এবং তাকে কবরের বিপর্যয় ও দোযখের শাস্তি থেকে রক্ষা করো”। আওফ (রাঃ) বলেন, তখন আমার আকাংক্ষা হলো যে, আমি যদি ঐ ব্যক্তির স্থানে হতাম। [১৪৯৯]
‘আউফ ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একবার জানাযার সালাতে বলতে শুনেছি اَلَّهُمَّ ا غفِرلَهُ وَارحَمهُ وَاعفُ عَنهُ وَعَافِهِ وَاَكرِم نُزُ لَهُ وَوَسِّعَ مُدخَلَهُ وَاغسِلهُ بِمآَ ءِ وتَّلجٍ وَّبَرَ دٍ وَّ نَقِّهِ مِنَ ا لخَطاَ ياَ كَمَآ يُنّقِّي التَّو بُ ا لاَبيَضُ مِنَ الدَّنَسِ واَبدِلهُ دَا راً خَيراً مِّنّ اهَلِهِ و زَو جاً خَيراً مِّنّ زَوجِهِ و قِهِ عَذَا بَ القَبرِ و عَذابَ النَّاار আউফ (রাঃ) বলেন, আমি আকাংক্ষা করেছিলাম যে, যদি সেই মৃত ব্যক্তিটি আমি হতাম যেই মৃত ব্যক্তির জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দোয়া করেছিলেন।
আউফ ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানাযার সালাত আদায় করার সময় দোয়া পড়তে শুনেছি। তিনি দোয়াতে বলছিলেন- اللَّهُمَّ ا غفِرلَهُ وَارحَمهُ وَاعفُ عَنهُ وَعَافِهِ وَاَكرِم نُزُ لَهُ وَوَسِّعَ مُدخَلَهُ وَاغسِلهُ بِمآَ ءِ وتَّلجٍ وَّبَرَ دٍ وَّ نَقِّهِ مِنَ ا لخَطاَ ياَ كَمَآ يُنّقِّي التَّو بُ ا لاَبيَضُ مِنَ الدَّنَسِ واَبدِلهُ دَا راً خَيراً مِّنّ اهَلِهِ و زَو جاً خَيراً مِّنّ زَوجِهِ و قِهِ عَذَا بَ القَبرِ و عَذابَ النَّاار রাবী বলেন, অথবা তিনি বলেছিলেন اَعِذهُ مِن ا عَذَ ا ب القَبرِ