আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য ঢলে পড়ার পূর্বে সফর শুরু করলে আসরের ওয়াক্ত পর্যন্ত যুহর বিলম্বিত করতেন এবং উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। আর (সফর শুরুর আগেই) সূর্য ঢলে গেলে যুহ্র আদায় করে নিতেন। অতঃপর সওয়ারীতে উঠতেন।
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য ঢলে পড়ার পূর্বে সফর শুরু করলে আসরের ওয়াক্ত পর্যন্ত যুহরের সালাত বিলম্বিত করতেন। অতঃপর অবতরণ করে দু’ সালাত একসাথে আদায় করতেন। আর যদি সফর শুরু করার পূর্বেই সূর্য ঢলে পড়তো তাহলে যুহরের আদায় করে নিতেন। অতঃপর সওয়ারীতে চড়তেন।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে পড়ার পূর্বেই যদি তিনি সফরে রওয়ানা হতেন তাহলে 'আস্রের সলাতের সময় পর্যন্ত দেরী করতেন এবং তারপর কোথাও থেমে যুহর ও 'আস্রের সলাত একসাথে আদায় করতেন। কিন্তু রওয়ানা হওয়ার পূর্বেই যদি সূর্য ঢলে পড়ত তাহলে তিনি যুহরের সলাত আদায় করে তারপর যাত্রা করতেন। (ই.ফা. ১৪৯৫, ই.সে. ১৫০৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য ঢলার পূর্বে রওয়ানা হলে যুহর সলাতকে ‘আসর পর্যন্ত বিলম্ব করতেন, অতঃপর বাহন থেকে নেমে উভয় সলাতকে একত্রে আদায় করতেন। অবশ্য তাঁর রওয়ানা হবার পূর্বে সূর্য ঢলে গেলে তিনি যুহর সলাত আদায় করার পর সওয়ার হতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুফাদ্দাল (রহঃ) মিসরের বিচারপতি ছিলেন এবং তাঁর দু’আ কবুল হতো। আর তিনি ছিলেন ফাদালাহ (রাঃ)-এর পুত্র।