সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা। হাঃ-২৮২২

‘আম্‌র ইব্‌নু মায়মূন আউদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শিক্ষক যেমন ছাত্রদের লেখা শিক্ষা দেন, সা’দ (রাঃ) তেমনি তাঁর সন্তানদের এ বাক্যগুলো শিক্ষা দিতেন এবং বলতেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের পর এগুলো থেকে পানাহ চাইতেন, ‘হে আল্লাহ্‌! আমি ভীরুতা, অতি বার্ধক্য, দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের শাস্তি থেকে আপনার নিকট পানাহ চাই।’ রাবী বলেন আমি মুস‘আব (রাঃ)-এর নিকট হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি এটির সত্যতা স্বীকার করেন।


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->ক্ববরের আযাব হতে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা । হাঃ-৬৩৬৫

মুস'আব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুস'আব (রহঃ) বর্ণনা করেন, সা'দ পাঁচটি জিনিস হতে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিতেন এবং তিনি এগুলো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে উল্লেখ করতেন। তিনি এগুলো থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় চেয়ে এ দু'আ পড়তে নির্দেশ দিতেন : হে আল্লাহ্‌! আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আমি কাপুরুষতা হতে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আমি অবহেলিত বার্ধ্যক্যে উপনীত হওয়া থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আর আমি দুনিয়ার ফিত্‌না অর্থাৎ দাজ্জালের ফিত্‌না থেকেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আমি ক্ববরের আযাব হতেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১২)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->কৃপণতা থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা । হাঃ-৬৩৭০

সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি পাঁচটি কার্য থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিতেন এবং তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকেই বর্ণনা করতেন। তিনি দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি অবহেলিত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার বড় ফিত্‌না (দাজ্জালের ফিত্‌না) থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৭)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->বার্ধ্যকের আতিশয্য এবং দুনিয়ার ফিত্‌না আর জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় প্রার্থনা। হাঃ-৬৩৭৪

সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে সব বাক্য দিয়ে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করতেন, সে সব দ্বারা তোমরাও আশ্রয় প্রার্থনা কর। তিনি বলতেন : হে আল্লাহ্‌! আমি কাপুরুষতা থেকে, আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আমি বার্ধক্যের আসহায়ত্ব থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি দুনিয়ার ফিত্‌না ও ক্ববরের 'আযাব থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২১)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->দুনিয়ার ফিত্‌না থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করা। হাঃ-৬৩৯০

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যেভাবে লেখা শিখানো হতো ঠিক তেমনিভাবে আমাদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু’আ শিখাতেনঃ হে আল্লাহ! আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি ভীরুতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আপনার আশ্রয় চাচ্ছি আমাদেরকে বার্ধক্যের আতিশয্যের দিকে ফিরিয়ে দেয়া থেকে। আর আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার ফিত্‌না এবং ক্ববরের শাস্তি হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->অক্ষমতা, অলসতা ইত্যাদি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৬৭৬৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু‘আসমূহ পাঠ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখ্লি ওয়াল কাসালি ওয়া আর্যালিল ‘উমুরি ওয়া ‘আযা-বিল কব্রি ওয়া ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত”। অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকটে বখিলতা, অলসতা, নিকৃষ্ট জীবন-যাপন, কবরের শাস্তি এবং জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।” (ই.ফা. ৬৬২৯, ই.সে. ৬৬৮৩)


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->খেজুরের বিনিময়ে খেজুর কমবেশি করে বিক্রী হাঃ-৪৫৫৭

আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিলাল (রাঃ) কিছু উন্নতমানের খোরমা নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলে তিনি বললেনঃ এটা কী? তিনি বললেনঃ আমি এর এক সা’ দুই সা’-এর পরিবর্তে ক্রয় করেছি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বাহ! এতো প্রকাশ্য সুদ, এর নিকটেও যাবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করা বাব->কাপুরুষতা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৫৪৪৫

মুস’আব ইব্‌ন সা’দ (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি আমাদেরকে পাঁচটি কথা শিক্ষা দিতেন এবং তিনি বলতেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এগুলো দ্বারা দু’আ করতেন এবং তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আরো আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবনের নিকৃষ্টতম অংশ (অতি বার্ধক্য) থেকে এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়ার ফিত্‌না থেকে এবং আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।