‘আবদুল্লাহ্ মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বেদুঈনরা মাগরিবের সালাতের নামের ব্যাপারে তোমাদের উপর যেন প্রভাব বিস্তার না করে। রাবী (‘আবদুল্লাহ্ মুযানী (রাঃ) বলেন, বেদুঈনরা মাগরিবকে ‘ইশা বলে থাকে।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ গেঁয়ো বেদুঈন লোকেরা যেন তোমাদের সলাতের নামকরণের ব্যাপারে প্রভাব বিস্তার না করে বসে। জেনে রাখো সলাতের নাম হলো ইশা। আর তারা উট দোহন করতে দেরী করে তাই এ সলাতকেও তারা ‘আতামাহ্’ [১] বলে। (ই.ফা.১৩২৮, ই.সে.১৩৪০)
‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গেঁয়ো বেদুঈন লোকেরা যেন তোমাদেরকে ইশার সলাতের নামকরণের ব্যাপারে প্রভাবান্বিত না করে বসে। কেননা, আল্লাহর কিতাবে এ সলাতের নাম ‘ইশা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃত ব্যাপার হলো তারা (গ্রাম্য লোকেরা) উট দোহনে অনেক বিলম্ব করে থাকে। (ই.ফা.১৩২৯, ই.সে.১৩৪১)
ইব্ন উমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বেনুঈনগণ যেন এই সালাতের নামের ব্যাপারে তোমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। কেননা তারা উট দোহনের কারনে ‘আতামা বা অন্ধকারে উপনীত হয় (তাই একে ‘আতামা বলে)। প্রকৃতপক্ষে এটি ইশা।
আবূ সালামহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ বেদুঈনরা যেন সলাতের ওয়াক্তের নামকরণের ক্ষেত্রে তোমাদেরকে পরাভূত করতে না পারে। জেনে রাখো, সেটি হলো ইশার সলাত। কিন্তু তারা রাতের অন্ধকার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করে উটের দুধ দোহন করে।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের সালাতের নামকরণের ব্যাপারে বেদুঈনরা যেন তোমাদের উপর প্রভাব বিস্তার না করে। কেননা এটা হলো ইশা। এ সময় তারা উটের দুধ দোহন করে। [৭০২]