সহিহ বুখারী অঃ->পানি সেচ বাব->জায়গীর দেওয়া। হাঃ-২৩৭৬

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদেরকে বাহরাইনে কিছু জায়গীর দিতে চাইলেন। তারা বলল, আমাদের মুহাজির ভাইদেরও আমাদের মত জায়গীর না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের জন্য জায়গীর দিবেন না। তিনি বলেন, আমার পরে শীঘ্রই তোমরা দেখবে, তোমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তখন তোমরা সবর করবে, যে পর্যন্ত না তোমরা আমার সঙ্গে মিলিত হও।


সহিহ বুখারী অঃ->পানি সেচ বাব->জায়গীর লিপিবদ্ধ করা। হাঃ-২৩৭৭

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদেরকে বাহরাইনে জায়গীর দেওয়ার জন্য ডাকলেন। তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি যদি তা করেন তাহলে আমাদের কুরাইশ ভাইদের জন্যও অনুরূপ জায়গীর লিখে দেন। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট তখন তা ছিল না। তারপর তিনি বলেন, আমার পর শীঘ্রই দেখবে, তোমাদের উপর অন্যদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তখন তোমরা সবর করবে, আমার সঙ্গে মিলিত হওয়া (মৃত্যু) পর্যন্ত।


সহিহ বুখারী অঃ->জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহরাইনের জমি হতে যা বন্দোবস্ত দেন এবং বাহরাইনের সম্পদ ও জিযইয়াহ হতে যা দেয়ার ওয়াদা করেন। ফায় ও জিযইয়াহ কাদের মধ্যে বন্টন করা হবে? হাঃ-৩১৬৩

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহরাইনের ভূমি লিখে দেয়ার জন্য আনসারদের ডাকলেন। তখন তাঁরা বললেন, না, আল্লাহ্‌র কসম! আমরা সে পর্যন্ত গ্রহণ করব না, যে পর্যন্ত আপনি আমাদের ভাই কুরাইশদের জন্যও একইভাবে লিখে না দেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ সম্পদ তো তাদের জন্য যতক্ষণ আল্লাহ্‌ তা’আলা চাইবেন। কিন্তু তারা সে কথাই বলতে থাকলেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার পরে দেখতে পাবে যে, অন্যদেরকে তোমাদের উপর প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তখন তোমরা আমার সঙ্গে হাওযে মিলিত হওয়া পর্যন্ত সবর করবে।


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->আনসারগণের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উক্তিঃ তোমরা ধৈর্য অবলম্বন করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয কাউসারে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর। হাঃ-৩৭৯২

উসায়দ ইব্‌নু হুযায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন আনসারী বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল, আপনি কি আমাকে অমুকের ন্যায় দায়িত্বে নিয়োজিত করবেন না? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আমার ওফাতের পর অপরকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেখতে পাবে, তখন তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে অবশেষে আমার সাথে সাক্ষাত করবে এবং তোমাদের সাথে সাক্ষাত স্থান হল হাউয। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১০/৩৫১১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৮)


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->আনসারগণের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উক্তিঃ তোমরা ধৈর্য অবলম্বন করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয কাউসারে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর। হাঃ-৩৭৯৩

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা অচিরেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। অতএব তোমরা আমার সাথে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ কর প্রতিশ্রুত হাউযের নিকট গমন পর্যন্ত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ নাই)


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->আনসারগণের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উক্তিঃ তোমরা ধৈর্য অবলম্বন করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয কাউসারে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর। হাঃ-৩৭৯৪

ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌নু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যখন আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে ওয়ালিদ (ইব্‌নু ‘আবদুল মালিক)-এর নিকট সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বাসরা হতে দামেস্কে সফর করতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহ্‌রাইনের জমি তাদের জন্য বরাদ্দ করার জন্য আনসারদেরকে ডাকলে তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসুল! আমাদের মুহাজির ভাইদের জন্য এরূপ জায়গার বরাদ্দ না করা পর্যন্ত আমরা তা গ্রহণ করব না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা যদি তা গ্রহণ করতে না চাও, তবে (ক্বিয়ামতের ময়দানে) হাউযের নিকটে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য অবলম্বন কর। কেননা শীঘ্রই তোমরা দেখতে পাবে, আমার পরে তোমাদের উপর অন্যদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৯)


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->নাবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ আমার পরে তোমরা এমন কিছু দেখতে পাবে, যা তোমরা পছন্দ করবে না। ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) বলেন, নাবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ধৈর্য ধারণ কর যতক্ষণ না হাউযের ধারে আমার সঙ্গে মিলিত হও। হাঃ-৭০৫৭

উসায়দ ইব্‌নু হুযায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক লোক নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক লোককে হাকাম নিযুক্ত করলেন, অথচ আমাকে নিযুক্ত করলেন না। তখন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ নিশ্চয়ই তোমরা আমার পর নিজের অগ্রাধিকার পাওয়ার চেষ্টা করবে। সে সময় তোমরা ধৈর্য ধরবে, যতক্ষণ না আমার সাথে মিলিত হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->শাসকের যুলুম ও অন্যায় পক্ষপাতিত্বের সময় ধৈর্যধারণের আদেশ হাঃ-৪৬৭৩

উসায়দ ইবনু হুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো আপনি ওমুককে যেভাবে কর্মচারী নিযুক্ত করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও। (ই. ফা. ৪৬২৭, ই. সে. ৪৬২৮)