সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->‘ইশার সময় ও তাতে বিলম্ব করা হাঃ-১৩৩২

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রাতে ইশার সলাতে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলাম। রাতের একতৃতীয়াংশ অথবা তারও বেশী সময় অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা জানি না তিনি পারিবারিক কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন, না অন্য কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি এসে আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা এমন এক সলাতের জন্য অপেক্ষা করছ যার জন্য তোমরা ছাড়া অন্য কোন দ্বীনের লোকেরা অপেক্ষা করছেনা। (তারপর তিনি বললেন) আমার উম্মাতের জন্য যদি ভাল না হত তাহলে আমি তাদের সাথে প্রতিদিন এসময়েই (ইশার) সলাত আদায় করতাম। এরপর তিনি মুয়াযযিনকে আযান দিতে আদেশ করলেন। এরপর মুয়াযযিন ইক্বামত দিলে তিনি সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা.১৩১৯, ই.সে.১৩৩১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->ইশার সলাতের ওয়াক্ত হাঃ-৪২০

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমরা ‘ইশার সলাত আদায়ের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আগমনের অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে তিনি আসলেন রাতের এক-তৃতীয়াংশ বা এর চেয়েও কিছু সময়ের পর। তিনি কোন কাজে ব্যস্ততার জন্য নাকি অন্য কিছুর কারণে বিলম্ব করলেন তা আমরা অবগত নই। তিনি এসে বললেনঃ তোমরা কি এ (‘ইশার) সলাতের জন্য অপেক্ষা করছো? আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর না হলে আমি এ সময়েই (ইশার সলাত) আদায় করতাম। অতঃপর তিনি মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত দেয়ার নির্দেশ দিয়ে সলাত আদায় করলেন। সহীহঃ মুসলিম।