নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি ইব্নু ‘উমর (রাঃ)–কে তাঁর উটের দিকে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেছেনঃ আমি দেখেছি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪১৮)
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার যুদ্ধের দিন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আ. প্র ৩৮৯৬, ই.ফা. ৩৮৯৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরচুলা ব্যবহারকারী এবং এ পেশাধারী এবং উল্কি অঙ্কনকারী এবং তা গ্রহণকারী নারীদের অভিশাপ দিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪১০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দু’জন মুওয়ায্যিন ছিলঃ বিলাল (রাঃ) এবং অন্ধ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)। (ই. ফা. ৭২৭, ই. সে. ৭৪২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সরাসরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুখে তালবিয়াহ্ শিখেছি...... অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৬৮০, ই.সে. ২৬৭৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পদব্রজে বা বাহনে চড়ে কুবায় আসতেন। (ই.ফা. ৩২৫৭, ই.সে. ৩২৫৪)
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৩২, ই.সে. ৩৩৩১)
তিনি “হাবালুর হাবালা” শর্তে কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৬৭, ই.সে. ৩৬৬৭)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ক্রয় করার ইচ্ছা ছাড়া মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে মূল্য বলতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৭৬, ই.সে. ৩৬৭৬)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাযা’ (চুল কিছু ছেটে কিছু রাখা) নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী (‘উমার ইবনু নাফি’) বলেন, আমি নাফি’ (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, কাযা’ কি? তিনি বললেন শিশুর মাথার (চুল) কিছু কামানো এবং কিছু রেখে দেয়া। (ই.ফা. ৫৩৭৬, ই.সে. ৫৩৯৬)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাফি’ (রহঃ) খবর দিয়েছেন যে, তিনি আবূ লুবাবাহ্ (রাঃ) -কে ইবনু ‘উমার (রাঃ) -এর নিকট (হাদীসের) সংবাদ দিতে শুনেছেন এ মর্মে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহের (ছোট-খাটো) সাপগুলো হত্যা করতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৫৬৩৫, ই.সে. ৫৬৬৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাঃ)-কে আযান (এর বাক্যগুলো) দু’বার করে বলার এবং ইকামত (-এর বাক্যগুলো) একবার করে বলার নির্দেশ দেন।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মসজিদে নববীতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যামানায় শয়ন করতেন আর তখন তিনি ছিলেন অবিবাহিত যুবক, তাঁর স্ত্রী ছিল না।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন : তিনি বর্শার ফলা পুঁতে তার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে মিনায় সালাত দু’ রাকআত আদায় করেছি, আবূ বকর (রাঃ)-এর সাথে এবং উমর (রাঃ)-এর সাথেও সালাত দু’ রাকআত আদায় করেছি।
ইব্ন উমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুলাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো কখনো যানবাহনের উপরও বিত্রের সালাত আদায় করে নিতেন।
আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বকর ও উমর (রাঃ) মাররুজ জাহ্রান নামক স্থানে ছিলেন।