যায়দ ইবনু খালিদ আল জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাতে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাত দেখব। রাতের বেলা প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত ভাবে দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর অনেক অনেক দীর্ঘায়িত করে দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর দু’রাক‘আত সলাত আদায় করলেন যা পূর্বের দু’ রাক‘আত থেকে কম দীর্ঘ ছিল। এরপর দু’ রাক‘আত আদায় করলেন যা পূর্বের দু’ রাক‘আত থেকে কম দীর্ঘায়িত ছিল। এরপর দু’ রাক‘আত আদায় করলেন যা পূর্বের দু’ রাক‘আত থেকে কম দীর্ঘায়িত ছিল। পরে আরো দু’রাক‘আত আদায় করলেন যা পূর্বের দু’ রাক‘আত থেকেও কম দীর্ঘায়িত ছিল। এরপর বিত্র অর্থাৎ এক রাক‘আত সলাত আদায় করলেন এবং এভাবে মোট তের রাক‘আত সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ১৬৭৪ ই.সে. ১৬৮১)
আইয়্যুব ইবন মূসা যুহরী হতে, তিনি উরওয়া হতে এবং তিনি আয়েশা (রাঃ) থেকে। থেকে বর্নিতঃ
এক নারী চুরি করলে তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হল। লোকেরা বললোঃ এরজন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উসামা ইবন যায়দ ব্যতীত কে সুপারিশ করতে পারবে? তারা এই ব্যাপারে উসামা (রাঃ) -কে বললো। উসামা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আরয করলে তিনি বললেন, “হে উসামা! বনী ইসরাঈল এ জন্যই ধ্বংস হয়েছে যে, তাদের মধ্যে যদি কোন আমীর লোক কোন অপরাধ করতো, তারা তাকে ছেড়ে দিত,শাস্তি দিত না। আর যখন কোন গরীব লোক কোন অপরাধ করতো, তখন তারা তাকে শাস্তি দিত। যদি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদও এই অপরাধ করতো, তবুও আমি তার হাত কাটার আদেশ দিতাম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় এক নারী চুরি করলো। লোক বললোঃ আমরা এ ব্যাপারে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কথা বলতে পারব না। তার প্রিয়পাত্র উসামা ব্যতিত আর কেউ-ই এ ব্যাপারে তার সাথে কথা বলতে পারবে না। উসামা (রাঃ) তারা সাথে কথা বললে তিনি বললেন, হে উসামা! বনী ইসরাঈল এ জন্যই ধ্বংস হয়েছে যে, তাদের মধ্যে কোন সম্মানী ব্যক্তি অপরাধ করলে, তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর গরীব লোক কোন অপরাধ করলে তারা তাকে হত্যা করতো। যদি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদও হতো, আমি তার হাত কাটতাম।