‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জুহাইনাহ্ গোত্রের এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আগমন করল। সে বলল, হে আল্লাহর নবী! আমি ‘হদ্দ’ (শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত ব্যভিচারের শাস্তি)-এর উপযোগী হয়েছি। অতএব আমার উপর তা কার্যকর করুন। তখন আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার অভিভাবককে ডাকলেন এবং বললেন, তাকে ভালভাবে দেখাশোনা করো। তারপর সে যখন সন্তান প্রসব করবে তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। সে তাই করলো। এরপর আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার প্রতি (শাস্তি প্রদানের নির্দেশ দিলেন। তখন মহিলার কাপড় শক্ত করে বাঁধা হলো। এরপর তিনি শাস্তি কার্যকর করার আদেশ দিলেন। তাকে পাথর মারা হলো। অতঃপর তিনি তার উপর জানাযার সলাত আদায় করলেন। তখন উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! আপনি তার (জানাযার) সলাত আদায় করলেন অথচ সে তো ব্যভিচার করেছিল? তিনি বললেন, নিশ্চয়ই সে এমনভাবে তাওবাহ্ করেছে, যদি তা মাদীনার সত্তরজন লোকের মধ্যে বণ্টিত হতো, তবে তাদের জন্য তাই যথেষ্ট হতো। তুমি কি তার চেয়ে অধিক উত্তম তাওবাহ্কারী কখনও দেখেছ? সে-তো নিজের জীবন আল্লাহর জন্য দিয়ে দিয়েছে। (ই. ফা. ৪২৮৪, ই. সে. ৪২৮৫)
সুফয়ান (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ মাখযূম গোত্রের এক নারী লোকদের নিকট হতে জিনিসপত্র ধার করত এবং পরে অস্বীকার করত।তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেশ করা হল এবং তার বিষয়ে কথা বল। তিনি বললেন “যদি ফাতিমা (রাঃ) -ও হতো, তা হলে তার হাট কেটে দিতাম”। সুফয়ানকে জিজ্ঞেস করা হল, এটা কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেন, আইয়্যূব ইবন মুসা (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে, তিনি উরওয়া হতে এবং তিনি হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে।