সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন হাঃ-১০৬৪

বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

আমরা বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পেছনে সলাত আদায় করেছি। এরপর আমাদেরকে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ - ষোল কিংবা সতের মাস পরে আমরা কা’বার দিকে মুখ করে সলাত আদায়ের নির্দেশ লাভ করি। (ই. ফা. ১০৫৮ ই. সে. ১০৬৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->যে ব্যক্তি চুক্তি ভঙ্গ করে তাকে হত্যা করা বৈধ হওয়া এবং দুর্গের অধিবাসীদের কোন ন্যায়পরায়ণ ক্ষমতা প্রদত্ত বিচারকের নির্দেশে অবতরণ বৈধ হওয়া হাঃ-৪৪৯২

হিশাম (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এটুকু ব্যতিক্রম বলেছেন যে, “সে রাত থেকেই রক্ত প্রবাহিত হতে লাগলো। এভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। অবশেষে তিনি মারা যান। তিনি (হিশাম) তাঁর হাদীসে আরো কিছু বাড়তি বর্ণনা করেছেন। এ সম্পর্কে একজন কবি বলেনঃ “ হে সা’দ ইবনু মু’আয! তোমার ব্যাপারে বানূ কুরাইযাহ ও বানূ নাযীর কী করেছে? তোমার জীবনের শপথ! নিশ্চয় সা’দ ইবনু মু’আয যে প্রভাতে তোমরা তার জন্য কষ্টানুভব করছিলে, সে আজ নিশ্চুপ। (হে আওস সম্প্রদায়) তোমরা তোমাদের হাঁড়িগুলো খালি রেখে দিয়েছ, তাতে আজ কোন কিছু নেই, অর্থাৎ-তোমাদের অধঃপতন হয়েছে। অথচ তোমাদের বিপক্ষের (খাজরাজ) সম্প্রদায়ের ডেগগুলো গরম, তা টগবগ করছে অর্থাৎ- তারা আজ প্রভাবশালী ধনী। আর একজন সম্ভ্রান্ত আবূ হুবাব বলেছিলেন, তোমরা বানূ কাইনূকা গোত্রকে অবস্থান করতে দাও, তাদেরকে যেতে দিও না। আর তারা তাদের শহরে ছিল ধনাঢ্য যেমন গেড়ে থাকে মায়তান অর্থাৎ বঞ্চিত নিস্তব্ধ পাথর।” (ই.ফা. ৪৪৪৯, ই.সে. ৪৪৫১)