সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->ইচ্ছাকৃত হত্যার পর নিহতের অভিভাবক যদি কিসাস ক্ষমা করে দেয়, তবে দিয়াত গ্রহণ করা যাবে কি না হাঃ-৪৭৮৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি নিহত হয়, তখন তার ওয়ারিসের জন্য দু’টি বিষয়ের যে কোন একটি গ্রহণের ইখতিয়ার থাকবে। চাইলে কিসাস গ্রহণ করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->ইচ্ছাকৃত হত্যার পর নিহতের অভিভাবক যদি কিসাস ক্ষমা করে দেয়, তবে দিয়াত গ্রহণ করা যাবে কি না হাঃ-৪৭৮৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তির কোন লোক নিহত হয়, তখন সে দুইটির যে কোন একটি বেছে নিতে পারে, হয় কিসাস, না হয় দিয়াত।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রক্তমূল্য বাব->ইচ্ছাকৃত হত্যার ক্ষেত্রে অভিভাবক দিয়াত গ্রহণ করলে হাঃ-৪৫০৪

সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ শুরাইহ আল-কা’বী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শোন হে খুযা’আহ গোত্রের লোকেরা! তোমরা হুযাইল গোত্রের এ ব্যাক্তিকে হত্যা করেছো। আর আমিই তার রক্তমূল্য পরিশোধ করবো। আমার একথার পর যাদের কোন লোককে হত্যা করা হবে তখন নিহতের পরিবার দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করতে পারবে। দিয়াত গ্রহণ করবে অথবা হত্যা করবে।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->রক্তপণ বাব->নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণের তিনটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার এখতিয়ার থাকবে। হাঃ-২৬২৪

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় তার দুটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহনের এখতিয়ার রয়েছে। (হত্যাকারীকে কিসাসস্বরূপ) হত্যা করা হবে অথবা ফিদয়া (দিয়াত) আদায় করা হবে। [২৬২৪]