সহিহ মুসলিম অঃ->‘কাসামাহ’ (খুনের ব্যপারে হলফ করা), ‘মুহারিবীন’ (শত্রু সৈন্য), ‘কিসাস” (খুনের বদলা) এবং ‘দিয়াত’ (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা) বাব->হত্যার স্বীকারোক্তি দেয়াএবং নিহত ব্যক্তির অভিভাবকদের কিসাসের দাবি করা বৈধ, হত্যাকারী ব্যক্তির নিহত ব্যক্তির অভিভাবকের নিকট ক্ষমার আবেদন করা মুস্তাহাব হাঃ-৪২৮০

ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তিকে হাযির করা হল, যে অপর এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। তখন তিনি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে তার কাছে হতে কিসাস গ্রহণের অনুমতি দিলেন। তখন সেতাকে নিয়ে চলল এমনঅবস্থায় যে, তার গলায় একটি চামড়ার দড়ি ছিল, যদ্দ্বারা তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। যখন সে ফিরে যাচ্ছিল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামী। বর্ণনাকারী বলেন, তখন এক লোক ঐ ব্যক্তির সাথে গিয়ে মিলিত হল এবং তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী শোনাল। সে তখন হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। ইসমা’ঈল ইবনু সালিম (রহঃ) বলেন, আমি এ ঘটনা হাবীব ইবনু সাবিত (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন, আমাকে ইবনু আশ্ওয়া’ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়ার জন্য তাকে (ইতোপূর্বে) বলেছিলেন, কিন্তু সে তা অস্বীকার করেছিল। (ই.ফা. ৪২৪১, ই.সে. ৪২৪১)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কলহ-বিপর্যয় বাব->দু’ মুসলমান পরস্পর সংঘাতে লিপ্ত হলে হাঃ-৩৯৬৩

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দু’জন মুসলমান পরস্পর সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হলে হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়ে জাহান্নামে যাবে। [৩২৯৫]