‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সুদ সম্পর্কীয় সূরা বাকারার আয়াত সমূহ অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে গিয়ে সে সব আয়াত সাহাবীগণকে পাঠ করে শুনালেন। অতঃপর তিনি মদের ব্যবসা হারাম করে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৪৫)
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুদ সম্পর্কে সূরাহ আল-বাকারাহ্র শেষ আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকেদের নিকট তা পাঠ করে শোনালেন। তারপর মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দিলেন। [৪৫৯] (আ.প্র. ৪১৮০, ই.ফা. ৪১৮১)
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূরাহ আল-বাকারাহ্র শেষ আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাসজিদে তা পাঠ করে শুনান এবং মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দেন। (আ.প্র. ৪১৮২, ই.ফা. ৪১৮৩)
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূরাহ আল-বাকারার শেষ দিকের আয়াতগুলো যখন অবতীর্ণ হল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং আমাদের সামনে তা পাঠ করলেন। তারপর মদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দিলেন। [৪৫৯] (আ.প্র. ৪১৮৩, ই.ফা. ৪১৮৪)
‘আবদুর রহমান ইবন ওয়ালাতা আস সাবাঈ মিসরী (রহঃ) -এর সূত থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট আঙ্গুরের রস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এক মশক মদ উপহার স্বরূপ নিয়ে আসে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সেটা হারাম করে দিয়েছেন? সে বলল, না। অতঃপর সে এক ব্যক্তির সাথে কানাকানি করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে গোপনে কী বললে? সে বলল, আমি তাকে এটা বিক্রি করার পরামর্শ দিয়েছি। এরপর তিনি বললেন, যিনি (আল্লাহ) এটা পান করা হারাম করেছেন তিনি এর বিক্রিও হারাম করে দিয়েছেন। রাবী বলেন, এরপর সে মশ্কের মুখ খুলে দিল এবং তার মধ্যে যা কিছু ছিল সব পড়ে গেল। (ই. ফা. ৩৮৯৯, ই. সে. ৩৮৯৮)