সুনানে আবু দাউদ অঃ->সুন্নাহ বাব->মুরজিয়া সম্প্রদায় প্রত্যাখ্যাত হাঃ-৪৬৭৮

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা ও কুফর এর মধ্যে পার্থক্য হলো সলাত ছেড়ে দেয়া।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ঈমান বাব->নামায ত্যাগের পরিণতি হাঃ-২৬১৯

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রহঃ) হতেও উপরোক্ত সনদে একই রকম হাদীস বর্ণিত আছে। এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দাহ্‌ ও শির্‌কের মধ্যে অথবা বান্দাহ্ ও কুফরীর মধ্যে পার্থক্য হল নামায ত্যাগ করা। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ঈমান বাব->নামায ত্যাগের পরিণতি হাঃ-২৬২০

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (মু’মিন) বান্দাহ্‌ ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হল নামায ত্যাগ করা। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ, মুসলিম


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সালাত ত্যাগকারীর বিধান। হাঃ-১০৭৮

জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত বর্জন। [১০৭৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সালাত ত্যাগকারীর বিধান। হাঃ-১০৮০

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মু’মিন বান্দা ও শিরক-এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত বর্জন করা। অতএব যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে অবশ্যই শিরক করলো। [১০৮০]