যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুমান করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে আরায়্যা করার অনুমতি দিয়েছেন।
ইবনু ‘উমার (রা.) বর্ণনা করেন, যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়া ধরনের কেনা-বেচার অনুমতি দান করেছেন। ইবনু নুমায়র তাঁর বর্ণনায় (আরবী) শব্দটি বাড়িয়েছেন। (ই.ফা. ৩৭৩২, ই.সে. ৩৭৩২)
যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়ার মালিককে এ অনুমতি দিয়েছে যে, সে আরায়াকৃত গাছের তাজা খেজুর অনুমানের ভিত্তিতে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৭৩৫, ই.সে. ৩৭৩৫)
যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়া পদ্ধতির অনুমতি প্রদান করেছেন। বাড়ীর মালিক আরায়া করা ফল অনুমান করে খুরমার বদলে রাখতে পারে তাজা রসযুক্ত খেজুর খাওয়ার জন্যে। (ই.ফা. ৩৭৩৬, ই.সে. ৩৭৩৬)
যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়া পদ্ধতির ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমানে পরিমাণ নির্ধারণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। ইয়াহ্ইয়া বলেন, আরায়া হলো নিজের পরিবারবর্গকে তাজা রসাল খেজুর খাওয়াবার জন্যে গাছের ঝুলন্ত খেজুর অনুমান দ্বারা পরিমাণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে খরিদ করে রাখা। (ই.ফা. ৩৭৩৯, ই.সে. ৩৭৩৯)
যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দানকৃত খেজুর অনুমানে পরিমাপ করে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৩৭৪০, ই.সে. ৩৭৪০)