হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যতক্ষণ ক্রেতা-বিক্রেতা বিচ্ছিন্ন না হবে ততক্ষণ তাদের খিয়ারের অধিকার থাকবে। আহমাদ (রহঃ) বাহ্য (রহঃ) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, হাম্মাম (রহঃ) বলেন, আমি আবূ তাইয়্যাহ্ (রহঃ)-কে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, তখন আমি তার সাথে ছিলাম যখন 'আবদুল্লাহ ইবনু হারিস এই হারিস এই হাদীসটি আবূ খলীলকে বর্ণনা করেন।
ইবনু ‘উমার (রা.) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দু’জন লোক পরস্পর কেনাবেচা করলে যতক্ষণ তারা একে অন্যের থেকে পৃথক না হয় এবং একত্রিত থাকে ততক্ষণ তাদের প্রত্যেকেরই ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার স্বাধীনতা থাকবে। কিংবা যদি একজন অপরজনকে ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার ইখ্তিয়ার প্রদান করে এবং এরূপ শর্তে ক্রয়-বিক্রয় সমাধা হয় তবে এ ক্রয়-বিক্রয় ঠিক থাকবে। আর যদি ক্রয়-বিক্রয়ের পর তারা একজন অন্যজন থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং উভয়ের কোন একজন ক্রয়-বিক্রয় বাতিল না করে তবে তাও ঠিক থাকবে। (ই.ফা. ৩৭১২, ই.সে. ৩৭১২)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতা যখন ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে তখন তাদের প্রত্যেকেরই ক্রয়-বিক্রয় প্রত্যাখ্যান করার ব্যাপারে সুযোগ থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা একে অন্যের থেকে পৃথক না হয়ে যায়। অথবা যদি ক্রয়-বিক্রয় খিয়ারের শর্তে (নির্দ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় ঠিক রাখা না রাখার শর্ত) হয়ে থাকে তখনও খিয়ার বহাল থাকবে। ইবনু আবূ ‘উমারের বর্ণনায় আরো রয়েছে- নাফি’ বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) যখন কারো সাথে ক্রয়-বিক্রয় করতেন এবং তিনি তা বহাল রাখতে চাইতেন, তখন উঠে গিয়ে এদিক সেদিক কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতেন, তারপর দ্বিতীয়পক্ষের নিকট আবার প্রত্যাবর্তন করতেন। (ই.ফা. ৩৭১৩, ই.সে. ৩৭১৩)