সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ হে নাবী! মু‘মিন নারীরা যখন আপনার কাছে এসে এই মর্মে আনুগত্যের শপথ করে। (সূরাহ আল-মুমতাহিনাহ ৬০/১২) হাঃ-৪৮৯৪

‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে ছিলাম, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি এসব শর্তে আমার কাছে বায়‘আত গ্রহণ করবে যে, তোমরা আল্লাহ্‌র সঙ্গে অন্য কিছুকে শরীক করবে না, যিনা করবে না এবং চুরি করবে না। এরপর তিনি নারীদের শর্ত সম্পর্কিত আয়াত পাঠ করলেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান প্রায়ই বলতেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আয়াতটি পাঠ করেছেন। এরপর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমাদের যে ব্যক্তি এসব শর্ত পূরণ করবে, আল্লাহ্ তার প্রতিফল দেবেন। আর যে ব্যক্তি এ সবের কোন একটি করে ফেলবে এবং তাকে শাস্তিও দেয়া হবে। এ শাস্তি তার জন্য কাফ্ফারা হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি এ সবের কোন একটি করে ফেলল এবং আল্লাহ্ তা লুকিয়ে রাখলেন, তাহলে এ বিষয়টি আল্লাহ্‌র কাছে থাকল। তিনি চাইলে তাকে শাস্তি দেবেন, আর তিনি যদি চান তাহলে তাকে ক্ষমাও করে দিতে পারেন। আবদুর রায্যাক (রহ.) মা‘মার (রহ.)-এর সূত্রে এ রকম বর্ণনা করেছেন। [১৮] (আ.প্র. ৪৫২৬, ই.ফা. ৪৫৩০)


সহিহ বুখারী অঃ->শরীয়তের শাস্তি বাব->হুদুদ (শরীয়াতের শাস্তি) (গুনাহ্র) কাফ্ফারা হয়ে যায়। হাঃ-৬৭৮৪

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এক মজলিসে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার কাছে এ বায়’আত কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না এবং ব্যভিচার করবে না। এরপর তিনি এ আয়াত পুরো তিলাওয়াত করলেনঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (বায়’আতের শর্তসমূহ) পুরো করে তার বিনিময় আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে ব্যক্তি এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর তার জন্য শাস্তি দেয়া হয়, তবে এটা তার জন্য কাফ্‌ফারা হয়ে যায়। আর যদি কেউ এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর আল্লাহ্‌ তা গোপন রাখেন তবে এটা তাঁর ইচ্ছাধীন। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করবেন, ইচ্ছে করলে শাস্তি দিবেন।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৭)