সহিহ বুখারী অঃ->গোসল বাব->চুল খিলাল করা এবং চামড়া ভিজেছে বলে নিশ্চিত হওয়ার পর তাতে পানি ঢালা। হাঃ-২৭২

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন তিনি দু’হাত ধৌত করতেন এবং সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। তারপর গোসল করতেন। পরে তাঁর হাত দিয়ে চুল খিলাল করতেন। চামড়া ভিজেছে বলে যখন তিনি নিশ্চিত হতেন, তখন তাতে তিনবার পানি ঢালতেন। তারপর সমস্ত শরীর ধুয়ে ফেলতেন। (২৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৭০)


সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->অপবিত্রতার গোসলের বিবরণ হাঃ-৬০৫

‘আয়িশাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন অপবিত্রতা থেকে গোসল করতেন তখন প্রথমে দুই হাত ধুতেন। তারপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতে পানি ঢেলে লজ্জাস্থান ধুতেন। তারা সলাতের ওযূর মত ওযূ করতেন। তারপর পানি নিয়ে তাঁর আঙ্গুলগুলো চুলের গোড়ায় ঢুকাতেন। এমনিভাবে যখন মনে করতেন যে, চুল ভিজে গেছে তখন মাথায় তিন আজল (দুই হাতের তালু ভরা) পানি ঢালতেন। তারপর সমস্ত শরীরে পানি ঢেলে দিতেন। তারপর তাঁর উভয় পা ধুয়ে ফেলতেন। [৮২] (ই.ফা. ৬০৯, ই.সে. ৬২৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->গোসল ও তায়াম্মুম বাব->জানাবাতের গোসলে সর্বশরীরে পানি পৌঁছানো হাঃ-৪২৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন তিনি প্রথমে উভয় হাত ধুয়ে নিতেন পরে তিনি সালাতের উযুর ন্যায় উযু করতেন। তারপর আঙ্গুলি দ্বারা মাথার চুল খেলাল করতেন এবং যখন তিনি মনে করতেন যে, মাথার সকল স্থান ভিজে গেছে, তখন তিনি মাথায় তিন অঞ্জলি পানি দিতেন। তারপর তিনি সর্বশরীর ধৌত করতেন।