সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ হাঃ-৪৬৮০

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যে ব্যক্তি (‘আমীরের) আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং ‘জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করল। আর যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রপ্রীতির জন্য ক্রুদ্ধ হয় অথবা গোত্র প্রীতির দিকে আহ্বান করে অথবা গোত্রের সাহায্যার্থে যুদ্ধ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির কোন ব্যাপার থাকে না) আর তাতে নিহত হয়, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করে। আর যে ব্যক্তি আমার উম্মাতের উপর আক্রমণ করে, আমার উম্মাতের ভালমন্দ সকলকেই নির্বিচারে হত্যা করে। মু’মিনকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে সে ও’য়াদাবদ্ধ হয় তার ও’য়াদাও রক্ষা করে না, সে আমার কেউ নয়, আমিও তার কেউ নই। (ই.ফা. ৪৬৩৩, ই.সে. ৪৬৩৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ হাঃ-৪৬৮১

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৩৪, ই.সে. ৪৬৩৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ হাঃ-৪৬৮২

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং মৃত্যুবরণ করলো, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করলো এবং যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রের টানে ক্রুদ্ধ হয় এবং গোত্র প্রীতির জন্যেই যুদ্ধ করে। সে আমার উম্মাত নয়। আর যে ব্যক্তি আমার ‘উম্মাত থেকে বেরিয়ে আমার ‘উম্মাতেরই পূণ্যবান ও পাপাচারী সকলের গর্দান কাটে, মু’মিনদেরকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় তার অঙ্গীকারও পালন করে না, সে আমার উম্মাত নয়। ( ই.ফা. ৪৬৩৫, ই.সে. ৪৬৩৭)