‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল এবং সলাত কায়িম করে, যাকাত দেয়, যদি এগুলো করে তাহলে আমা থেকে তারা জান মালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ছাড়া। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৬; ই.সে. ৩৭)
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা’ পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ্র শপথ! তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর অভিমতই সঠিক।
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা’ পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ্র শপথ! তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর অভিমতই সঠিক।
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা’ পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ্র শপথ! তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর অভিমতই সঠিক।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]