আমর ইব্ন শুআয়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন কিছুর মালিক নয়, ঐ বস্তুর মান্নত ও শপথ করতে পারবে না। আর গুনাহের কাজে এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে শপথ হতে পারে না।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : আল্লাহ্র নাফরমানীর কাজে মান্নত নেই। আর মানুষ যে বস্তুর মালিক নয়, তারও মান্নত করা যাবে না।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপের কাজে মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপের কাজে কোন মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপের কাজে কোন মান্নত নেই। আর এর কাফ্ফারা হলো কসমের কাফ্ফারা।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপের কাজে মান্নত নেই। কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহর কাজে মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহ্র কাজে কোন মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহর কাজে কোন মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহর কাজে কোন মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহের কাজে এবং আল্লাহ্র গযবের কাজে কোন মান্নত নেই। আর কসমের কাফ্ফারাই এর কাফ্ফারা।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ যার মালিক নয় তাতে এবং আল্লাহ্র অবাধ্যতায় মান্নত করা বৈধ নয়।
আবদুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্র অবাধ্যতায় এবং মানুষ যার মালিক নয় তাতে মান্নত করা বৈধ নয়।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র নাফরমানীতে কোন মান্নত নেই। আর মানুষ যার মালিক নয় তাতেও কোন মান্নত নেই।
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনসার সম্প্রদায়ের দুই ভাইয়ের মধ্যে একটি (যৌথ) মীরাস ছিল। এক ভাই অপর ভাইয়ের কাছে তা বণ্টনের দাবি করলে সে বলল, তুমি পুনরায় মীরাস বণ্টনের কথা বললে আমি আমার সমস্ত সম্পদ কা’বা ঘরের জন্য ওয়াক্ফ করে দিবো। ‘উমার (রাঃ) লোকটিকে বললেন, কা’বা ঘর তোমার সম্পত্তির মুখাপেক্ষী নয়। তোমার শপথের কাফফারাহ আদায় করো এবং তোমার ভাইয়ের সাথে (বণ্টনের) কথাবার্তা বলো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, মহান রব্বের নাফরমানীতে, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করণে এবং যার মালিক তুমি নও তাতে তোমার কোন শপথ ও মানত জায়িয নেই। সানাদ দুর্বল : মিশকাত (৩৪৪৩)।
‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদম সন্তান যে বস্তুর মালিক নয় তাতে তার কোন মানত নাই শপথও নাই; আল্লাহর নাফরমানীর কাজে এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার বিষয়ে কোন মানত গ্রহণযোগ্য হবে না। কোন লোক কসম খাওয়ার পর তার বিপরীতে কল্যাণ দেখতে পেলে সে তার শপথ বর্জন করে অধিকতর কল্যাণকর কাজটি করবে। পূর্বের শপথ বর্জন করাই শপথ ভঙ্গের কাফফারাহ গণ্য হবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত এ বিষয়ের সহীহ হাদীসসমূহের বক্তব্য হচ্ছে : “তাকে তার শপথ ভঙ্গের কাফ্ফারাহ দিতে হবে,” কিন্তু যেসব হাদীস যথার্থ নয় সেগুলো ছাড়া। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি আহ্মাদ (রাঃ) কে বললাম, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবনু ‘উবাইদুল্লাহর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তখন আহ্মাদ (রহঃ) বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু ‘উবাইদের হাদীসসমূহ প্রত্যাখ্যাত এবং তাঁর পিতা অজ্ঞাত। হাসান : তাঁর এ কথাটি বাদে [...আরবী...] কেননা এ অংশটুকু মুনকার। যঈফাহ (১৩৬৫), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬৩১২)।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহের কাজে মানত করা জায়িয নাই। (কেউ করলে) এর কাফফারাহ হবে শপথ ভঙ্গের কাফফারাহ্র সমান। সহীহঃ ইবুন মাজাহ (২১২৫)।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপকাজে কোন মানত নেই। এর কাফফারাহ শপথ ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ। আহ্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ আল-মারওয়াযী (রহঃ) বলেন, সঠিক সানাদ হলোঃ ‘আলী ইবনুল মুবারক – ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসির – মুহাম্মাদ ইবনুয যুবাইর - তার পিতা - ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) – নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আল-মারওয়াযী এর দ্বারা বুঝাতে চেয়েছেন যে, এ হাদিস সম্পর্কে সুলাইমান ইবনু আরক্বাম সন্দিহান। তার থেকে আয-যুহরী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু মুরসালভাবে আবূ সালামা – ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বাক্বিয়্যাহ এ হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আওযাই-ইয়াহ্ইয়া-মুহাম্মাদ ইবনুয যুবাইর – ‘আলী ইবনুল মুবারকের সানাদে পূর্বের হাদিসের অনুরূপ। সহীহঃ পূর্বেরটি দ্বারা।
সাবিত ইবনুদ দাহহাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে এক ব্যক্তি মানত করে যে, সে বুওয়ানা নামক স্থানে একটি উট যাবাহ করবে। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, আমি বুওয়ানা নামক স্থানে একটি উট কুরবানি করার মানত করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেখানে কি জাহেলী যুগের কোন মূর্তি রয়েছে? লোকেরা বলল, না। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কি তাদের কোন মেলা বসতো? লোকেরা বলল, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করতে পারো। কেননা আল্লাহ্র নাফরমানীমূলক কাজের জন্য কৃত মানত পূর্ণ করা জায়িয নয় এবং আদম সন্তান যে জিনিসের মালিক নয় তারও কোন মানত নেই। সহীহঃ মিশকাত (৩৪৩৭)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ নাম উল্লেখ (নির্দিষ্ট) না করে মানত করলে, তার কাফফারাহ শপথ ভঙ্গের কাফফারাহর অনুরূপ। কেউ গুনাহের কাজে মানত করলে তার কাফফারাহ শপথ ভঙ্গের কাফফারাহর অনুরূপ। কেউ যদি এমন মানত করে যা পূর্ণ করা তার সামর্থ্যর বাইরে, তার কাফফারাহ হবে শপথ ভঙ্গের কাফফারাহর অনুরূপ। কোন ব্যক্তি যদি সামর্থ্য অনুযারী মানত করে তবে সে যেন তা পূর্ণ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ওয়াকী’ ও অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ এ হাদীসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ ইবনু হিন্দ (রহঃ) হতে আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উপর মওকূফভাবে বর্ণনা করেছেন। দুর্বল মারফু’ : ইরওয়া (২৫৮৬), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৫৮৬২), মিশকাত (৩৪৩৬)।।
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গুনাহের কাজ সম্পাদনের উদ্দেশ্যে মানত করা বৈধ হবে না। শপথ ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ এ কাফফারা। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২১২৫)
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার নাফরমানী করার উদ্দেশ্যে মানত করা যাবে না এবং শপথ ভঙ্গের কাফফারার মতই তার কাফফারা। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ্
ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপ কাজে মানত করা যাবে না এবং আদম-সন্তান যে জিনিসের মালিক নয় তার মানতও হয় না। [২১২৪]
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ গুনাহের কাজে মানাত করা যাবে না। এর কাফফারা হলো শপথ ভঙ্গের কাফফারার অনুরুপ। [২১২৫]