সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বলাক্ব হবে না হাঃ-৩৫৭৬

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইখ্‌তিয়ার দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তা ত্বলাক্ব মনে করিনি। (ই.ফা. ৩৫৪৭, ই.সে. ৩৫৪৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বলাক্ব হবে না হাঃ-৩৫৭৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদিগকে ইখ্‌তিয়ার প্রদান করেছিলেন। এরপর আমরা তাঁকে গ্রহণ করলাম। এটা আমাদের উপর ত্বলাক্ব বলে গন্য হয় নি। (ই.ফা. ৩৫৫০, ই.সে. ৩৫৫০)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৫

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েক দিন ব্যতীত পূর্ণ শা’বান মাসের সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিলাদা পাকান হাঃ-২৭৭৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীর (কুরবানীর জন্তুর) কিলাদা পাকাতাম। তারপর তিনি মদীনায় অবস্থান করতেন, ইহরাম বাঁধতেন না। (অর্থাত 'ইহরাম বেঁধেছেন' বলে সাব্যস্ত হত না।)