জামে' আত-তিরমিজি অঃ->শিশুর দুধপান বাব->দুধপানের বিনিময় কিভাবে শোধ করা যায় হাঃ-১১৫৩

হাজ্জাজ আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যে দুধপান করেছি তার হাক্ব কিভাবে মিটাতে পারি? তিনি বলেনঃ (দুধমাকে) একটি ক্রীতদাস অথবা একটি দাসী দান করে (এ দাবি মিটাতে পার)। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (৩৫১)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দিয়াত বা রক্তপণ বাব->জানীন (গর্ভস্থ ভ্রুণ) এর রক্তপণ হাঃ-১৪১০

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ভ্রুণের (গর্ভস্থিত বাচ্চার) রক্তপণ হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন যুবক গোলাম অথবা বাঁদী দেওয়ার ফায়সালা করেছেন। যে লোককে তিনি রক্তপণের নির্দেশ দিলেন সে বলল, আপনি এরূপ বাচ্চার রক্তপণ প্রদান করাবেন কি, যে পানও করেনিও, খায়ওনি এবং চিৎকারও করেনি? এরূপ (খুনের কিসাস) তো বাতিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন। এ লোক তো কবিদের মত (প্রমানহীন) কথা বলছে। হ্যাঁ, অবশ্যই এর রক্তপণ হিসেবে একজন যুবক গোলাম অথবা বাঁদী ধার্য হবে। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (২৬৩৯), নাসা-ঈ


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->রক্তপণ বাব->গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত হাঃ-২৬৩৯

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত বাবত একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী নির্ধারণ করেন। তিনি যার উপর দিয়াত ধার্য করেন সে বললো, আমরা কি এমন মানুষের দিয়াত দিব যে না পান করেছে, না চীৎকার করেছে আর না শব্দ করে কেঁদেছে? এর রক্ত (দিয়াত) তো বাতিল, অর্থহীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, লোকটি তো কবিসুলভ কথা বলছে। ভ্রুণের জন্য একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ দিতে হবে। [২৬৩৯]