সহিহ বুখারী অঃ->সাক্ষ্যদান বাব->বংশধারা, সবার জানা দুধপান ও আগের মৃত্যুর বিষয়ে সাক্ষ্য দান; হাঃ-২৬৪৫

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামযাহর মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়, আর সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->বংশীয় সম্পর্কের দরুন যারা হারাম হয়, দুধপানজনিত কারণেও তারা হারাম হয়। হাঃ-১৯৩৭

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বংশীয় সম্পর্কের দরুন যারা হারাম হয়, দুধপানজনিত কারণেও তারা হারাম হয়। [১৯৩৭]


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->দুধ পান সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হাঃ-৩৩০১

উরওয়া (রঃ) সূত্রে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাকে অবহিত করেছেন যে, তাঁর দুধ চাচা আফলাহ (রহঃ) তাঁর নিকট (আসতে) অনুমতি চাইলে তিনি তার সংগে পর্দা করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ সংবাদ দিলে তিনি বললেন, তার সংগে পর্দা করো না। কেননা, দুধ পান সম্পর্ক দ্বারা ঐ সকল লোক হারাম হয়, যারা বংশগত সম্পর্কে হারাম হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->দুধ ভাই-এর কন্যা হারাম হওয়া হাঃ-৩৩০৬

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হামযা (রাঃ)-এর কন্যাকে বিবাহ করা সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলা হলে তিনি বললেনঃ সেতো আমার দুধ ভাই-এর কন্যা। আর বংশ সুত্রে যারা হারাম হয়, দুধ পান সম্পর্ক দ্বারা তারা হারাম হয়।