সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->বায়িন ত্বলাক্বপ্রাপ্ত[৬১] স্ত্রীর জন্য খোরপোষ নেই হাঃ-৩৫৮৯

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ (রাঃ) (তার স্বামী) অনুপস্থিতিতে তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দেন। এরপর সামান্য যবসহ উকীল কে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে তিনি [ফাত্বিমাহ্‌ (রাঃ)] তাঁর উপর ভীষণভাবে অসন্তুষ্ট হন। সে (উকীল) বলল, আল্লাহ্‌র কসম! তোমাকে (খোরপোষরূপে) কোন কিছু দেয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। তখন তিনি [ফাত্বিমাহ্‌ বিনত ক্বায়স (রাযি:)] রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট সব খুলে বললেন। (তার কথা শুনে) তিনি বলেন, তোমার জন্য তার [তোমার স্বামী আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ (রাঃ)-এর] দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি তাকে উম্মু শারীক-এর ঘরে গিয়ে ‘ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি এও বললেন, সে মহিলা (উম্মু শারীক) এমন একজন স্ত্রীলোক যার কাছে আমার সাহাবীগণ ভীড় করে থাকেন। তুমি বরং ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)-এর বাড়িতে গিয়ে ‘ইদ্দাত পালন করতে থাক। কেননা সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে প্রয়োজনবোধে তুমি তোমার পরিধানের বস্তু খুলে রাখতে পারবে। ‘ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি বলেন, যখন আমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালাম যে, মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) ও আবূ জাহ্‌ম (রাঃ) আমাকে বিবাহের পায়গাম পাঠিয়েছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আবূ জাহ্‌ম এমন একজন লোক যে, তার কাঁধ থেকে লাঠি নামিয়ে রাখে না। আর মু’আবিয়াহ্‌ তো কপর্দকহীন গরীব মানুষ। তুমি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হও। কিন্তু আমি তাঁকে পছন্দ করলাম না। পরে তিনি আবার বললেন, তুমি উসামাহ্‌কে বিয়ে কর। তখন আমি তাঁর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। আল্লাহ এতে (তার ঘরে) আমাকে বিরাট কল্যাণ দান করলেন। আর আমি ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম। (ই.ফা. ৩৫৫৯, ই.সে. ৩৫৫৯)