সহিহ বুখারী অঃ->ঈমান বাব->জিহাদ ঈমানের শামিল। হাঃ-৩৬

আবূ যুর‘আহ ইব্‌নু ‘আম্‌র ইব্‌নু জারীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ হুরাইরা (রাঃ)-কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় বের হয়, যদি সে শুধু আল্লাহর উপর ঈমান এবং তাঁর রসূলগণের প্রতি ঈমানের কারণে বের হয়ে থাকে, তবে আল্লাহ তা‘আলা ঘোষণা দেন যে, আমি তাকে তার পুণ্য বা গানীমাত (ও বাহন) সহ ঘরে ফিরিয়ে আনব কিংবা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব। আর আমার উম্মতের উপর কষ্টদায়ক হবে বলে যদি মনে না করতাম তবে কোন সেনাদলের সঙ্গে না গিয়ে বসে থাকতাম না। আমি অবশ্যই এটা ভালবাসি যে, আল্লাহর রাস্তায় নিহত হই, পুনরায় জীবিত হই, পুনরায় নিহত হই, পুনরায় জীবিত হই, পুনরায় নিহত হই। (২৭৮৭, ২৭৯৭, ২৯৭২, ৩১২৩, ৭২২৬, ৭২২৭, ৭৪৫৭, ৭৪৬৩; মুসলিম ৩৩/২৮ হাঃ ১৮৭৬, আহমাদ ৯১৯৮, ৯৪৮১, ৯৪৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->ঈমানের বিবরণ হাঃ-৭১

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->ঈমানের বিবরণ হাঃ-৭১

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->ঈমানের বিবরণ হাঃ-৭২

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->ঈমানের বিবরণ হাঃ-৭২

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->হায়যগ্রস্ত নারীর সাথে যা করা বৈধ এবং আল্লাহ্‌ তা’আলার নিম্নোক্ত বাণীর ব্যাখ্যা হাঃ-৩৬৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ইয়াহূদী নারীদের যখন হায়য আসত তখন তারা তাদের সাথে একত্রে পানাহার করত না, তাদের সাথে ঘরে একত্রে অবস্থানও করত না। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে আল্লাহ্‌ তা’আলা (আরবি) আয়াত নাযিল করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের আদেশ করলেনঃ তারা যেন তাদের সাথে একত্রে পানাহার করে এবং তাদের সাথে একই ঘরে বসবাস করে, আর যেন তাদের সাথে সহবাস ব্যতীত অন্য সব কিছু করে। এরপর ইয়াহূদীরা বলতে লাগল, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কোন ব্যাপারেই বিরোধিতা না করে ছাড়বেন না। তখন উসায়দ ইব্‌ন হুযায়র (রাঃ) এবং আব্বাদ ইব্‌ন বিশ্‌র (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ সংবাদ দিয়ে বললেন, তাহলে আমরা কি স্ত্রীদের সাথে হায়যের সময় সহবাস করব? তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে গেল। এমনকি আমরা ধারণা করলাম, তিনি তাদের প্রতি রাগান্বিত হয়েছেন। তখন তাঁরা উঠে চলে গেলেন। ইত্যবসরে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হাদিয়ার দুধ আসল। তিনি উক্ত দু’জনের খোঁজে লোক পাঠালেন। সে উভয়কে ফিরিয়ে আনল। তিনি তাঁদের পান করালেন। তখন বুঝা গেল যে, তিনি তাঁদের উপর রাগান্বিত হননি।