আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বরের উপর এরূপ বলতে শুনেছি, যে সূরার মধ্যে বাকারাহ’র উল্লেখ রয়েছে, সে সূরার মধ্যে আল-ইমরানের উল্লেখ রয়েছে এবং যে সূরার মধ্যে নিসা-এর উল্লেখ রয়েছে অর্থাৎ সে সূরা আল-বাকারাহ সূরা আল ‘ইমরান ও সূরা আল নিসা বলা পছন্দ করতো না। বর্ণনাকারী আ’মাশ (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারটি আমি ইব্রাহীম (রহঃ)-কে বললাম। তিনি বললেন, আমার কাছে ‘আবদূর রহমান ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, জামারায়ে আকাবাতে কঙ্কর মারার সময় তিনি ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) এর সঙ্গে ছিলেন। ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) বাতেন ওয়াদীতে গাছটির বরাবর এসে জামারাকে সামনে রেখে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর সহকারে কঙ্কর মারলেন। এরপর বললেন, সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, এ স্থানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি, যাঁর উপর নাযিল হয়েছে সূরা বাকারাহ (অর্থাৎ সূরা বাকারাহ বলা বৈধ) (১৭৪৭) (আঃপ্রঃ ১৬২৮, ইঃফাঃ১৬৩৬)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর মালপত্র নিয়ে ভোর রাতে মুযদালিফাহ্ থেকে (মিনায়) পাঠিয়ে দেন। আমি (ইবনু জুরায়জ) ‘আত্বাকে বললাম, আপনি জানেন কি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে গভীর রাতে পাঠিয়েছেন”? তিনি বললেন, না, কেবল ভোর রাতের কথাই আমি জানি। আমি তাঁকে পুনরায় বললাম, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “আমরা ফজরের সলাতের পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেছি।” তাহলে তিনি ফজরের সলাত কোথায় আদায় করেছেন? ‘আত্বা বললেন, না, আমি এতটুকুই জানি। (ই.ফা. ২৯৯৫, ই.সে. ২৯৯২)