সহিহ বুখারী অঃ->দুই ঈ’দ বাব->মিনা’র দিনগুলোতে এবং সকালে আরাফায় যাওয়ার সময় তাকবীর বলা হাঃ-৯৭০

মুহাম্মদ ইব্‌নু আবূ বাক্‌র সাক্বাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সকাল বেলা মিনা হতে যখন ‘আরাফাতের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-এর নিকট তালবিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কিরূপ করতেন? তিনি বললেন, তালবিয়া পাঠকারী তালবিয়া পড়ত, তাকে নিষেধ করা হতো না। তাকবীর পাঠকারী তাকবীর পাঠ করত, তাকেও নিষেধ করা হতো না।


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->সকালে মিনা হতে ‘আরাফা যাওয়ার সময় তালবিয়া ও তাকবীর পাঠ করা। হাঃ-১৬৫৯

মুহাম্মদ ইব্‌নু আবূ বাকার সাকাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তাঁরা উভয়ে সকাল বেলায় মিনা হতে ‘আরাফার দিকে যাচ্ছিলেন, আপনারা এ দিনে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে কিরূপ করতেন? তিনি বললেন, আমাদের মধ্যে যারা তালবিয়া পড়তে চাইত তারা পড়ত, তাতে বাধা দেয়া হতো না এবং যারা তাকবীর পড়তে চাইত তারা তাকবীর পড়ত, এতেও বাধা দেওয়া হতো না। (৯৭০) (আঃপ্রঃ ১৫৪৭, ইঃফাঃ ১৫৫৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->‘আরাফাহ্ দিবসে মিনা থেকে ‘আরাফাতে যাবার পথে তালবিয়াহ্ ও তাকবীর পাঠ করার বর্ণনা হাঃ-২৯৮৮

মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর আস্ সাক্বাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–এর সাথে সকালবেলা মিনা থেকে ‘আরাফায় যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এ দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে কিভাবে কী করতেন? তিনি বললেন, আমাদের কতক তালবিয়াহ্ পাঠ করত কিন্তু তাতে বাধা দেয়া হতো না এবং কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করত কিন্তু তাতেও বাধা দেয়া হতো না। (ই.ফা. ২৯৬৩, ই.সে. ২৯৬১)