আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আমার সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, তাই আমি ইহরাম খুলে ফেললাম। কিন্তু (আমার স্বামী) যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তাই তিনি ইহরাম খুলেননি। রাবী বলেন, আমি আমার স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করে বের হয়ে গিয়ে যুবায়র (রাঃ)-এর পাশে বসলাম। তিনি বললেন, আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব? (ই.ফা. ২৮৬৮, ই.সে. ২৮৬৭)
আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা ইহরাম অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রওনা হলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যাদের সাথে কোরবানির পশু আছে তারা যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যাদের সাথে কোরবানির পশু নেই তারা যেন ইহরাম ভঙ্গ করে। রাবী বলেন, আমার সাথে কোরবানির পশু না থাকায় আমিও ইহরাম ভঙ্গ করলাম, কিন্তু (আমার স্বামী) যুবাইর (রাঃ) -র সাথে কোরবানির পশু থাকায় তিনি ইহরাম ভঙ্গ করতে পারেননি। আমি আমার পরিধেয় বস্ত্র পরে যুবাইর (রাঃ) -র নিকট আসলে তিনি বলেন, তুমি আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, আপনি কি আশঙ্কা করছেন যে, আমি আপনার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বো? [২৯৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আসমা বিন্ত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমরা হজ্জের ইহ্রাম করে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বের হলাম। আমরা মক্কার নিকটবর্তী হলে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : যার সাথে 'হাদী' (কুরবানীর পশু) নেই, সে যেন হালাল হয়ে যায়, আর যার সাথে 'হাদী' (কুরবানীর পশু) রয়েছে, সে তার ইহ্রামের উপর স্থির থাকবে। আসমা (রাঃ) বলেন : যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে 'হাদী' (কুরবানীর পশু) থাকায় তিনি তাঁর ইহ্রামে স্থির থাকেন। আর আমার সাথে 'হাদী' (কুরবানীর পশু) না থাকায় আমি হালাল হয়ে যাই। আমি আমার পোশাক পরিধান করি, সুগন্ধি ব্যবহার করি এবং যুবায়র (রাঃ)-এর কাছে বসি। তিনি বললেন : আমার থেকে দূরে থাক। আমি বলি : তুমি কি ভয় করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বো?