ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বায় প্রবেশ করেন, তখন তার সকল দিকে দু’আ করেছেন, সালাত আদায় না করেই বেরিয়ে এসেছেন এবং বের হবার পর কা’বার সামনে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, এটাই ক্কিবলা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৯)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ‘আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম- আপনি কি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদেরকে কেবল ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশের নির্দেশ দেয়া হয়নি?” ‘আত্বা বললেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তো কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ নিষেধ করেননি, বরং আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এর সকল পাশে দু’আ করেছেন কিন্তু বের হওয়া পর্যন্ত কোন সলাত আদায় করেননি। তিনি বের হয়ে এসে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করে দু’রাক’আত সলাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, এ হ’ল ক্বিবলাহ্। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এর পার্শ্ব বলতে কী বুঝায়? তা দিয়ে কি কোণ বুঝানো হয়েছে? তিনি (‘আত্বা) আরও বললেন, এর সমস্ত পার্শ্ব ও কোণই ক্বিবলাহ্। [৩০] (ই.ফা. ৩১০৩, ই.সে. ৩১০০)
উসামা ইবন জায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা গৃহে প্রবেশ করলেন। বিলাল (রাঃ) -কে আদেশ করলে তিনি দরজা বন্ধ করে দিলেন। সে সময় কা’বা ঘর ছয়টি স্তম্ভের উপর ছিল। তিনি যেতে যেতে যখন কা’বা ঘরের দরজা সংলগ্ন দুই স্তম্ভের মধ্যে পোঁছালেন, তখন বসে আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করলেন। তাঁর নিকট প্রার্থনা করলেন এবং ক্ষমা চাইলেন। এরপর কা’বার পিছনের দিকে এসে সামনে মুখ করে দাঁড়ালেন, সেখানে ললাট ও গাল রাখলেন এবং আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করলেন এবং মুনাজাত ও ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। তারপর কা’বার কোণসমূহের প্রতি কোণের কাছে গেলেন এবং সে সবের সামনে তাকবীর, তাহলীল, তাসবিহ এবং সানা পাঠ করলেন। এরপর তিনি বের হয়ে কাবার দিকে মুখ করে দুই রাক’আত সালাত আদায় করলেন। এরপর মুখ ঘুরিয়ে বললেনঃ এ-ই কিবলা, এ-ই কিবলা।
উসামা ইবন জায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে কা’বায় প্রবেশ করলাম। তিনি বসে পরলেন, আল্লাহর হামদ আদায় করলেন,তাঁ র প্রশংসা করলেন, তাকবীর বললেন এবং “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বললেন। তারপর কা’বার সামনের দিকে গেলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও বক্ষস্থল এর উপর রাখলেন এবং উভয় হাত এর উপর রেখে তাকবীর ও তাহলীল পাঠ করে দু’আ করলেন। তিনি কা’বার প্রত্যেক কোণে এরূপ করলেন। এরপর বের হলেন এবং কিবলামুখী হয়ে দরজায় এসে বললেনঃ এ-ই কিবলা, এ-ই কিবলা।