সুনান নাসাঈ অঃ->গোসল ও তায়াম্মুম বাব->ইহ্‌রামের সময় নিফাসওয়ালী মহিলার গোসল করা হাঃ-৪২৯

মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ আমারা যাবির ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে বিদায় হজ্জ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বর্ণনা করলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলকা’দা মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট থাকতে বের হলেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে বের হলাম। এর পর তিনি যুল-হুলাইফায় গমন করলে আস্‌মা বিনতে উমায়স (রাঃ) মুহাম্মাদ ইব্‌ন আবু বকর কে প্রসব করলেন। পরে তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলেন এখন আমি কি করব? তিনি বললেনঃ তুমি গোসল করবে এবং ন্যাকড়া পরিধান করবে, তারপরে ইহ্‌রাম বাঁধবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->(প্রসব পরবর্তী) নিফাসগ্রস্ত নারীর তালবিয়া পাঠ (ইহ্‌রাম বাঁধা) হাঃ-২৭৬১

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মদীনায়) নয় বছর হজ্জ না করে অবস্থান করেন। তারপর তিনি লোকদেরকে হজ্জের ব্যাপারে ঘোষণা দিলেন। ফলে যে সওয়ার হয়ে অথবা পদব্রজে আসার ক্ষমতা রাখতো, এমন কেউ আসতে বাকী রইলো না। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হজ্জে বের (শরীক) হওয়ার জন্য ভিড়াভিড়ি করল। এমনিভাবে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুলহুলাফায় পৌঁছলেন। সেখানে আসমা বিনত উমায়স মুহাম্মদ ইব্ন আবূ বকরকে প্রসব করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ সংবাদ পাঠালে তিনি বলেনঃ গোসল করে এক খানা কাপড় দিয়ে মজবুত করে লজ্জাস্থান বেঁধে নাও, তারপর ইহ্‌রাম বাঁধ (তালবিয়া পাঠ কর)। তিনি তা-ই করেন। (সংক্ষিপ্ত)