সা‘ঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন, এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে উপস্থিত হ‘ল হঠাৎ সে তার উষ্ট্রীর পিঠ থেকে পড়ে গেল এবং ঘাড় মটকে যাওয়ার ফলে মারা গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কুলপাতা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করাতে, তার পরিধেয় দু‘খণ্ড বস্ত্রে কাফন দিতে, সুগন্ধি না লাগাতে এবং মাথা কাফনের বাইরে রাখতে নির্দেশ দিলেন। শু‘বাহ্ (রহঃ) বলেন, অতঃপর আবূ বিশ্র আমাকে এভাবে বললেন, তাকে এভাবে কাফন পরাও যাতে তার মাথা ও মুখমণ্ডল বাইরে থাকে। কারণ তাকে কিয়ামাতের দিন মাথার চুল জমাট করা অবস্থায় উঠানো হবে। (ই.ফা. ২৭৬৬, ই.সে. ২৭৬৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এমন এক ব্যক্তিকে আনা হলো যার উষ্ট্রী তাকে ফেলে দিয়ে তার ঘাড় ভেঙ্গে দিয়েছে এবং এতে সে ইহরাম অবস্থায় মারা গেছে। তিনি বললেনঃতাকে তার ইহরামের দুই কাপড়েই কাফন পরাও, বরই পাতা মিশানো পানি দিয়ে তাকে গোসল করাও এবং তার মাথা ঢাকবে না কেননা ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাকে তালবিয়া পাঠরাত অবস্থায় উঠাবেন" আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ)-কে এ হাদীসের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য বণনা করতে শুনেছি (১) তার ইহরামের দুই কাপড়েই কাফন পরাও অর্থাৎ ইহরাম অবস্থায় মৃত্যুবরণকারীকে দুই কাপড়ে কাফন দিতে হবে। (২) বরই পাতা মিশানো পানি দিয়ে গোসল করাও- অর্থাৎ প্রতিটি লাশ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে গোসল দিতে হবে। (৩) ইহরাম অবস্থায় মৃত ব্যক্তির মাথা ঢাকবে না। (৪) তার শরীরে সুগন্ধি লাগাবে না এবং (৫) তার সমস্ত সম্পদ থেকে প্রথমে তার কাফনের ব্যবস্থা করো।