আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কম্বলের নীচে রাত কাটাতাম। অথচ আমি তখন হায়িয অবস্থায় থাকতাম। আমার হায়িযের রক্ত তাঁর শরীরে লেগে গেলে তিনি শুধু ঐ স্থানটুকু ধুয়ে ফেলতেন, এর অতিরিক্ত ধুতেন না।অতঃপর তিনি ঐ কাপড়েই সলাত আদায় করতেন। আর যদি তাঁর কাপড়ে তাঁর দেহের (মযী) লেগে যেত, তাহলে শুধু ঐ স্থানটুকু ধুয়ে নিতেন, এর অতিরিক্ত কিছু ধুতেন না। অতঃপর ঐ কাপড়েই সলাত আদায় করতেন। সহীহ।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হায়িয অবস্থায় আমি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কম্বলে রাত কাটাতাম। আমার দেহের রক্ত তাঁর দেহে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থানটি ধুয়ে নিতেন। আর যদি রক্তের কিছু তাঁর কাপড়ে লাগতো তখনও তিনি শুধু তাই ধুয়ে নিতেন এবং সেই কাপড় পরেই সালাত আদায় করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেনঃ আমি এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই চাদরে রাত্রি যাপন করতাম অথচ আমি ছিলাম ঋতুমতি। আমার কোন কিছু তাঁর শরীরে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থান ধুয়ে নিতেন, এর অধিক ধুতেন না। আর তাতেই তিনি সালাত আদায় করতেন।
খিলাস ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি এবং আবুল কাসেম (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) একই চাদরে থাকতাম আর তখন আমি অধিক হায়েযগ্রস্তা ছিলাম, যদি আমা হতে কিছু তাঁর গায়ে লাগত তাহলে তিনি তা ধুয়ে ফেলতেন, এর অতিরিক্ত ধুতেন না এবং তাতেই সালাত আদায় করতেন। তারপর আবার আমার সাথে অবস্থান করতেন। যদি আমা হতে কিছু তাঁর শরীরে লাগত, তিনি তা-ই ধুতেন, তাছাড়া আর কোন অংশ ধুতেন না।